২৯তম বিসিএসের নন ক্যাডার সুপারিশ প্রাপ্ত প্রার্থীদেরকে বিভিন্ন ক্যাডার পদে সুপারিশ ও নিয়োগের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। গতকাল বৃহস্পতিবার দুদকের মহাপরিচালক (প্রতিরোধ) মো: আক্তার হোসেন এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ২৯তম বিসিএস পরীক্ষার চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশ ও গেজেট বিজ্ঞপ্তি প্রায় ১৩ মাস পর নিয়ম বহির্ভূতভাবে নন ক্যাডার সুপারিশ প্রাপ্ত প্রার্থীদেরকে বিভিন্ন ক্যাডার পদে সুপারিশ ও নিয়োগের অভিযোগ অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
নিয়োগপ্রাপ্ত ২১ জনের মধ্যে প্রশাসন ক্যাডারের পাঁচজন, আনসার ক্যাডারে একজন, শুল্ক ও আবগারী ক্যাডার চারজন, ইকোনোমিক ক্যাডারে দু’জন, পরিবার পরিকল্পনা দু’জন, পররাষ্ট্র ক্যাডারে একজন, পুলিশ ক্যাডারে দু’জন, কর ক্যাডার তিনজন, সাধারণ শিক্ষা ক্যাডার একজন।
উল্লেখ্য ২০১৪ সালে ২৯তম বিসিএস পরীক্ষার চুড়ান্ত নিয়োগের ফলাফল ঘোষণার পর তৎকালীন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল করে। ছাত্রলীগের দাবি, তাদের দলীয় নেতা-কর্মীদের ২শ জনের নামের তালিকা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, তৎকালীন পিএসসির সদস্য এবং যুবলীগ নেতা প্রফেসর ইমরান কবীরের কাছে দিয়েছিলেন। ফল প্রকাশের পর দেখা যায় ২শ জনের বেশিরভাগই উত্তীর্ণ হতে পারেনি।
এছাড়া ওই সময় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা গুলশানে সাবেক প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনার জনপ্রশাসন বিষয়ক সাবেক উপদেষ্টা এইচ টি ইমামের বাড়ি ঘেরাও করে। এইচ টি ইমামের কাছেও একটি তালিকা দিয়েছিল। সেই তালিকা থেকেও বেশিরভাগ উত্তীর্ণ হতে পারেননি। পরবর্তীতে ছাত্রলীগের দেয়া তালিকা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের সাবেক নেত্রী মমতাজ বেগম, সাবেক ছাত্রলীগ নেত্রী ফাতেমা জোহরাসহ অনেককেই নন ক্যাডার থেকে ক্যাডার পদে নিয়োগের সুপারিশ করা হয়।