রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:১০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ঘরে বসে যেভাবে নিবন্ধন করবেন ‘ফুয়েল পাস’ সিলেটে ছিনতাইকারী ও একা‌ধিক মামলার আসামী গ্রে ফ তা র নানিয়ারচর সেনা জোন কর্তৃক শিক্ষার্থীদের বিদায়ী সংবর্ধনা ও শিক্ষা সামগ্রী বিতরণ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ মোগলাবাজার থানা শাখার ত্রি-বার্ষিক সম্মেলন সম্পন্ন সিলেটে লেগুনা পরিবহন শ্রমিকদের প্রতিবাদ সভা ভূগর্ভস্থ টানেল ও বাঙ্কার, দূরদর্শী রাষ্ট্রীয় সুরক্ষার এক নতুন দিগন্ত হাউজ অব লর্ডসে মুক্তিযোদ্ধা সম্মাননা প্রদান, ইতিহাস সংরক্ষণ ও ঐতিহাসিক স্থাপনা রক্ষায় জোর দাবি এক্সিম ব্যাংকের প্রতারণার শিকার জামাল উদ্দিন ভূঁইয়া কোম্পানীগঞ্জে জীবন মেম্বারের বিরুদ্ধে এবার জলমহাল লুটের অভিযোগ ইতালীতে কৃষি ভিসায় পাঠানোর নামে টাকা আত্নসাতের অভিযোগ

আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে সদস্য সংগ্রহ করছে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো

প্রথম সকাল ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ১৮ জুন, ২০২৫
  • ১১৫ বার পড়া হয়েছে

আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে সদস্য সংগ্রহ করছে সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো।

বুধবার (১৮ জুন) সকালে আন্তর্জাতিক ক্রাইসিস গ্রুপের ‘বাংলাদেশ-মিয়ানমার: রোহিঙ্গা বিদ্রোহের ঝুঁকি’ শীর্ষক এশিয়া প্রতিবেদনে এমন তথ্য উঠে আসে।

প্রতিবেদনে ক্রাইসিস গ্রুপ জানায়, রাখাইনে মিয়ানমার সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে আরাকান আর্মির বিজয়ের পর রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলো সক্রিয় হয়ে উঠেছে।

বাংলাদেশের শরণার্থী শিবিরগুলোতে বছরের পর বছর ধরে চলা রক্তক্ষয়ী অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের পর এই গোষ্ঠীগুলো ২০২৪ সালের নভেম্বরে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে একসঙ্গে কাজ করার বিষয়ে সম্মত হয়েছে।

সমঝোতার পর থেকে রোহিঙ্গা শিবিরগুলোতে সহিংসতা ব্যাপকভাবে কমে গেছে এবং গোষ্ঠীগুলো সদস্য সংগ্রহ বাড়িয়েছে।

কারণ, আরাকান আর্মি মূলত রাজ্যের বৌদ্ধ সংখ্যাগরিষ্ঠদের সমর্থন পেয়ে আসছে। ফলে রাখাইনে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে শরণার্থীদের লড়াইয়ে নামানোর জন্য ধর্মীয় বয়ান ব্যবহার করছে।

ক্রাইসিস গ্রুপ বলছে, বাংলাদেশের সঙ্গে থাকা মিয়ানমারের পুরো সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ করছে আরাকান আর্মি। ফলে বাংলাদেশ সরকার আরাকান আর্মির সঙ্গে পরীক্ষামূলক আলোচনা শুরু করেছে।

রাখাইনে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর ক্রমবর্ধমান হামলা শুধু এই আলোচনাকেই ক্ষতিগ্রস্ত করবে না; বরং মিয়ানমারে রোহিঙ্গাবিরোধী মনোভাবও উস্কে দিতে পারে, যা প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গার প্রত্যাবাসনের সম্ভাবনাকে ব্যাহত করবে।

বাংলাদেশের উচিত ক্যাম্পে রোহিঙ্গা সশস্ত্র গোষ্ঠীগুলোর প্রভাব কমানো এবং আরাকান আর্মির সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো।

আরাকান আর্মিরও উচিত সব সম্প্রদায়ের স্বার্থ অক্ষুণ্ন রেখে তারা শাসন করতে পারবে, তা দেখানোর জন্য সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেওয়া। সুত্র:- ইত্তেফাক

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!