সুনামগঞ্জের তাহিরপুরে গাছ থেকে পড়ে আহত হওয়ার ঘটনা ধামাচাঁপা দিতে গিয়ে প্রতিবেশী দম্পতির অবহেলায় পঞ্চম শ্রেণির স্তুল ছাত্র নিহত হওয়ায় অভিযোগ উঠেছে। নিহতের নাম সিয়াম আখঞ্জি (১২)।
সে উপজেলা সদরের ঠাকুরহাটির সোয়েব আখঞ্জির এক মাত্র শিশু পুত্র ও তাহিরপুর মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়াশোনা করত। নিহত স্কুল ছাত্র সিয়ামের পারিবারীক সুত্র জানায়, অভিভাবকের পূর্ব অনুমতি না নিয়ে উপজেলা সদরের ঠাকুরহাটির প্রতিবেশী দেব দাস ও তার স্ত্রী তাদের বাড়ির সুপারি গাছে সুপারি পাড়তে প্রলোভন দেখিয়ে মঙ্গলবার দুপুরে গাছে তুলে দেন শিশু সিয়ামকে।
সুপারি পাড়তে গিয়ে গাছ থেকে নিচে পড়ে রক্তাক্ত হলে সবার অগোচরে চিকিৎসাসেবা বঞ্চিত করে দেব দাস ও তার স্ত্রী কৌশলে দুই বসতঘরের ফাঁকে মাটিতে ফেলে রেখে দেন সিয়ামকে। ঘটনা পাড়া প্রতিবেশীদের মধ্যে জানাজানির পর গাছ থেকে পড়ে আহত হওয়ার ৪ ঘন্টা পর সড়ক দিয়ে যাওয়া এক রিক্সা চালককে দিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেয়া হয় সিয়ামকে।
অবস্থার অবনতি দেখা দিলে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে সেখানে মঙ্গলবার রাতে সিয়াম মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়েন। তাহিরপুর থানার সেকেন্ড অফিসার এসআই নাজমুল ইসলাম জানান, বুধবার সিয়ামের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে, অভিযোগ প্রাপ্তি সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।