মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তা রক্ষায় ইরানের পাশে থাকার ঘোষণা চীনের যুক্তরাজ্যে পাঠানোর নামে ২৫ লাখ টাকা আত্মসাৎ : যুবক গ্রে ফ তা র সিলেট থেকে রোহিঙ্গা যুবক আ ট ক সিলামে সড়ক দুর্ঘটনায় সিএনজি চালক নি হ ত দোয়ারাবাজারে প্রবাসীর স্ত্রীকে কু-প্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির চেষ্টা সিলেটে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ও এতিমদের নিয়ে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত বিএমবিএফ সিলেট বিভাগীয় কমিটির শপথ গ্রহণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত সমাজের পিছিয়ে পড়া মানুষের মুখে হাসি ফোটাচ্ছে সিলেট ইয়াংস্টার : কয়েস লোদী তাহিরপুরে কয়লা চুরি ও ই/য়া/বা ব্যবসার প্রতিবাদ করায় ব্যবসায়ীকে হ ত্যা চে ষ্টা : ৯ জনের নামে মামলা দায়ের বৃটেনের নিউপোর্ট কেল্টিক টাইগার্স স্পোর্টস ক্লাবের আয়োজনে ইফতার পার্টি সম্পন্ন

ডায়াবেটিক রোগীর গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে পা

ডা. শাহজাদা সেলিম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৮ অক্টোবর, ২০২৪
  • ৫১০ বার পড়া হয়েছে

ডায়াবেটিক রোগীর অন্যতম অবহেলিত কিন্তু বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ হচ্ছে পা। ডায়াবেটিকের একজন রোগীর পা কাটা পড়ার ঝুঁকি নন-ডায়াবেটিক রোগীর তুলনায় ২৫ গুণ বেশি।

আর এ জন্য যে শুধু সংক্রমণ দায়ী তা নয়, স্নায়ু দৌর্বল্যের কারণে পায়ে অনুভূতিহীনতা, ধমনিতে রক্তপ্রবাহ ব্যাহত হওয়া, সহজে জখম ও সংক্রমণ, ক্ষত ও গঠন বিকৃতি সব কিছু মিলিয়ে ডায়াবেটিক রোগীর পা দুটি খুবই নাজুক অবস্থায় থাকে। তাই তাদের পায়ের একটি আলাদা নামও আছে চিকিৎসাবিজ্ঞানে আর সেটি হচ্ছে ‘ডায়াবেটিক ফুট’।

ঝুঁকিসমূহ : পায়ের ত্বক ফাটা, শালগড়া, পুড়ে যাওয়া, আঁটসাঁট জুতার জন্য পা ছিলে যাওয়া বা ধারালো কিছুতে কেটে যাওয়ার কারণে জীবাণুর সংক্রমণ ঘটে এবং অনিয়ন্ত্রিত রক্ত শর্করার কারণে দ্রুত তা ছড়িয়ে পড়ে। ব্যথাহীনতার কারণে এসব রোগী চিকিৎসকের কাছে অনেক দেরিতে যায়।

কখনো রক্তে সংক্রমণ ছড়িয়ে গিয়ে জীবনাশঙ্কা পর্যন্ত দেখা দিতে পারে। বয়স বৃদ্ধি, দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস, অপুষ্টি, দারিদ্র্য, একাকিত্ব, ধূমপান, দৃষ্টিক্ষীণতা ও কিডনি রোগ থেকে থাকলে তাদের ডায়াবেটিক ফুটের ঝুঁকি আরো বেশি।

করণীয় : ডায়াবেটিক ফুটের ঝুঁকি কমাতে নিয়মিত পায়ের যত্ন নিন। যেমন : পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা ও তেল বা ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার, কখনোই খালি পায়ে না হাঁটা, নখ কাটা ও জুতা নির্বাচনে সাবধানতা, কড়া বা উঠে যাওয়া চামড়া নিজে নিজে না তোলা ইত্যাদি বিষয়ে সতর্ক থাকুন।

নিয়মিত আপনার চিকিৎসকের কাছে গিয়ে পায়ের রক্ত চলাচল কিংবা অনুভূতি সম্পর্কে ধারণা নিন। যেকোনো সামান্য পা ফাটা, রঙের পরিবর্তন, কাটা বা পোড়া বা ছত্রাক সংক্রমণ, ঘা ইত্যাদিকে গুরুত্বের সঙ্গে নিন ও চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন।

রক্ত চলাচল ব্যাহত হলে পায়ের ধমনি পরীক্ষা করে বা কালার ডপলার আলট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে সঠিক ধারণা পাওয়া যায়। কিছু ওষুধের মাধ্যমে ব্যাহত রক্ত চলাচলের কিছুটা উন্নতি করা যায়। তবে এনজিওগ্রাফি, বেলুন এনজিওপ্লাস্টি, স্টেন্টিং বা রিং বসানো, বাইপাস অপারেশনের মাধ্যমে অনেক সময় পা কাটার হাত থেকে রেহাই পাওয়া যেতে পারে।

লেখক: সহযোগী অধ্যাপক, এন্ডোক্রাইনোলজি বিভাগ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!