সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেছেন, পুলিশ যদি কারও সঙ্গে অপেশাদার আচরণ করে তবে তাকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। এ ধরনের ঘটনার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এজন্য সকল সদস্যকে সতর্ক থাকার পাশাপাশি ড্রেসকোড অনুসরণ করে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) সকালে সিলেট পুলিশ লাইন্সের হলরুমে সিলেট মহানগর ট্রাফিক বিভাগের কল্যাণ সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। পুলিশ কমিশনার বলেন, সিলেট মহানগরের জনদুর্ভোগ লাঘব এবং নগরবাসীর নির্বিঘ্ন যাতায়াত নিশ্চিত করতে সবাইকে আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে।
শহরকে যানজটমুক্ত রাখতে অনিবন্ধিত সিএনজি চালিত অটোরিকশা, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তিনি আরও বলেন, ট্রাফিক বিভাগ বাংলাদেশ পুলিশের সবচেয়ে দৃশ্যমান অঙ্গ। এখানে ভালো কাজের যেমন পুরস্কার রয়েছে, তেমনি খারাপ কাজের জন্য রয়েছে শাস্তি।
এ সময় যানবাহন নিয়ন্ত্রণ, জনসাধারণের যাতায়াত ব্যবস্থা সু-শৃঙ্খল রাখা এবং বিভিন্ন উদ্ধার কার্যক্রমে অবদানের জন্য ট্রাফিক বিভাগের বিভিন্ন পদবীর ১৫ জন সদস্যকে বিশেষ পুরস্কার প্রদান করেন তিনি। সভায় পুলিশ কমিশনার ট্রাফিক বিভাগের বিভিন্ন পদবীর সদস্যদের বক্তব্য শোনেন এবং তাৎক্ষণিকভাবে কিছু সমস্যার সমাধান করেন।
পাশাপাশি কিছু বিষয় দ্রুত সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করেন। সিলেট মহানগর পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) সুদীপ্ত রায়ের সভাপতিত্বে কল্যাণ সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (সদর ও প্রশাসন) এনামুল হক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মাসুদ রানা, এডিসি ট্রাফিক গৌতম দেবসহ ট্রাফিক বিভাগের অন্যান্য সদস্যরা।