শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জৈন্তাপুরে চাঁ দা বা জি র ঘটনায় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার সিলেট নগরীতে ফের ছিনতাইয়ের চেষ্টা, আতঙ্কিত নগরবাসী রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান শাহজালাল (রহ.)–এর ব্যবহৃত সামগ্রী সংরক্ষনের জন্য জাদুঘর স্থাপনের নির্দেশ সিলেটে অনটেষ্ট সিএনজি, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর নির্দেশনা সিলেটে ফাহিম হ ত্যা মামলার পলাতক আসামি ‘কুত্তা রনি’ গ্রে ফ তা র জকিগঞ্জে ইট চুরির অভিযোগে যুব জামায়াতের সেক্রেটারিসহ গ্রেপ্তার ৬ ছাতকে বিভিন্ন মামলার ৩ আসামী গ্রেফতার জকিগঞ্জে রাতের আঁধারে রাস্তার ইট চুরি সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার

নির্বাচনী কাজে রাত ৮টার পর মাইক ব্যবহার করা যাবে না : ইসি

প্রথম সকাল ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৫ জানুয়ারী, ২০২৬
  • ৫৫ বার পড়া হয়েছে

নির্বাচনী জনসভায় রাত ৮টার পর মাইক ও লাউডস্পিকার  ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ সময়ের পরে লাউডস্পিকার ব্যবহার করা হলে তা নির্বাচনী আচরণবিধির স্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে বলেও সতর্ক করেছে কমিশন। রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের আচরণবিধি ২০২৫ অনুযায়ী, নির্বাচনী প্রচারণায় লাউডস্পিকার ব্যবহারের সময় ও শব্দের মাত্রা নির্দিষ্ট করে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

বিধিমালায় বলা হয়েছে, কোনো নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল কিংবা তাদের মনোনীত প্রার্থী, স্বতন্ত্র প্রার্থী বা তাদের পক্ষে কোনো ব্যক্তি প্রচারণার সময় কোনো নির্বাচনী এলাকায় মাইক বা শব্দমাত্রা বর্ধনকারী যন্ত্র দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টার মধ্যে ব্যবহার করতে পারবেন। আচরণবিধি অনুযায়ী, প্রতি সমাবেশে লাউডস্পিকার ব্যবহারের সর্বোচ্চ সংখ্যা তিনটি নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে সাধারণ প্রচারণায় ব্যবহৃত মাইক্রোফোন বা লাউডস্পিকারের ক্ষেত্রে এ বিধান প্রযোজ্য হবে না। শব্দের মাত্রা সর্বোচ্চ ৬০ ডেসিবেলের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে। ব্যবহার সময়সীমাও নির্ধারণ করা হয়েছে দুপুর ২টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। নির্বাচনী আচরণবিধি মানতে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের পৃথক অঙ্গীকারনামা দিতে হয়েছে।

কোনো প্রার্থীর আচরণবিধি লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দলকেও জরিমানার আওতায় আনার ক্ষমতা রয়েছে নির্বাচন কমিশনের। বিধিমালা অনুযায়ী, কোনো প্রার্থী আচরণবিধি ভঙ্গ করলে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলকেও আর্থিক শাস্তির মুখোমুখি হতে হবে। প্রার্থী হিসেবেও ঘোষিত ব্যক্তিকে আলাদা অঙ্গীকারনামা দিতে হয়েছে।

সেখানে তিনি ও তার নির্বাচনী সহযোগীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করলে প্রচলিত আইন অনুযায়ী শাস্তি মেনে নেওয়ার অঙ্গীকার করেছেন। এতে প্রার্থী ও দুইজন সাক্ষীর স্বাক্ষর রয়েছে। আচরণবিধি ভাঙলে ব্যক্তির জন্য সর্বোচ্চ ছয় মাসের কারাদণ্ড বা দেড় লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ডের বিধান রয়েছে।

দলের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ দেড় লাখ টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা যেতে পারে। বিধান লঙ্ঘনে আরপিও অনুযায়ী প্রার্থিতা বাতিলের ব্যবস্থাও রয়েছে। নির্বাচনী সংস্কার কমিশনের সদস্য ও নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সাবেক অতিরিক্ত সচিব জেসমিন তুলি বলেন, ‘রাত ৮টার পর জনসভায় মাইক ব্যবহার করা স্পষ্ট আইনভঙ্গ। এটি নির্বাচন কমিশনের আইনে উল্লেখ রয়েছে। আচরণবিধি ভঙ্গ হলে কী করা হবে, সেটিও সেখানে বলা আছে। যেহেতু নির্বাচন কমিশন আইন বাস্তবায়নকারী কর্তৃপক্ষ, তাই বিষয়টি তারা দেখবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!