মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজনগরে তারেক হ ত্যা মামলার পলাতক তিন আসামিকে চট্টগ্রাম থেকে গ্রে ফ তা র ড. মো. দিদার চৌধুরী হলেন মাউশি সিলেট অঞ্চলের পরিচালক সিলেটের জৈন্তাপুরে পাথর ক্রাশিংয়ের দায়ে ২ মিলকে জরিমানা বিশ্বনাথে ঝোপ থেকে নারীর মাথার খুলি ও কঙ্কাল উদ্ধার জিন্দাবাজার এলাকার ওভারসিজ সেন্টার ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ সিসিকে জনপ্রতিনিধি না থাকায় নাগরিক ভোগান্তি চরমে, নতুন প্রশাসকের ৬ অগ্রাধিকার ছাতক-সিলেট বিদ্যুৎ বিভাগে ১৫ বছর ধরে হরিলুটের অভিযোগ অভিনন্দন সংবলিত বিলবোর্ড দ্রুত অপসারণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ করলেন দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার ইরানের বিরুদ্ধে যুদ্ধে অংশ নেবে না ব্রিটেন, ট্রাম্প বললেন এমনটা হবে ভাবিনি

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ম খা আলমগীরসহ ৭ জনের নামে দুদকের মামলা

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : বুধবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৪
  • ১৬৮ বার পড়া হয়েছে

প্রথম সকাল ডেস্ক:- ঋণের প্রায় ৯ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতা ড. মহিউদ্দিন খান আলমগীরসহ ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

বুধবার (২৩ অক্টোবর) দুদকের উপপরিচালক সৈয়দ আতাউল কবির বাদী হয়ে সংস্থাটির সমন্বিত জেলা কার্যালয় জামালপুরে মামলাটি দায়ের করেন।

মামলার এজাহারে আসামিদের বিরুদ্ধে ঋণের নামে পরস্পর যোগসাজশে ফারমার্স ব্যাংকের ৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা আত্মসাৎ ও মানিলন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে।

মহিউদ্দিন খান আলমগীর ছাড়াও মামলার অন্য আসামিরা হলেন: আর সি এল প্লাস্টিক ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক রাশেদুল হক চিশতি, মোহাম্মদ ফারুক, হিরন রহমান, ইব্রাহিম খান, ফারমার্স ব্যাংক তথা বর্তমানে পদ্মা ব্যাংকের জামালপুরের বকশীগঞ্জ শাখার প্রধান মাসুদুর রহমান খান এবং একই শাখার সাবেক সহকারী অফিসার মো. ফখরুজ্জামান।

মামলার এজাহারে বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে অপরাধ লব্ধ আয়ের অবৈধ প্রকৃতি, উৎস, অবস্থান, মালিকানা ও নিয়ন্ত্রণ গোপন বা ছদ্মাবৃত্ত করে সন্দেহজনক লেনদেন করেছেন।

ফলে তারা মানিলন্ডারিংয়ের মাধ্যমে সাবেক ফারমার্স ব্যাংকের ৮ কোটি ৮৬ লাখ টাকা (সুদ ব্যতীত) আত্মসাতের মাধ্যমে গোপন, স্থানান্তর, রূপান্তর ও হস্তান্তর করে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন।

এছাড়াও আসামি মহিউদ্দিন খান আলমগীর অস্তিত্বহীন একটি প্রতিষ্ঠানের বিপরীতে ব্যাংক হিসাব খোলেন। অস্তিত্বহীন ঠিকানা ব্যবহার করে জালিয়াতি ও প্রতারণার আশ্রয়ে ওই হিসাব পরিচালনা করা হয়। ওই চলতি হিসাবে ২০১৪ সালের সেপ্টেম্বর থেকে ২০২০ সালের জুলাই পর্যন্ত ব্যাংকটির বিভিন্ন শাখায় আট কোটি টাকার বেশি জমা হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!