মঙ্গলবার, ১০ মার্চ ২০২৬, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
গোলাপগঞ্জ প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত একাটুনা ইউনিয়ন ফাউন্ডেশনের উদ্দ্যোগে ৪শত পরিবারের মধ্যে খাদ্যসামগ্রী, ও ঈদ উপহার বিতরণ সুনামগঞ্জে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন বাণিজ্যমন্ত্রী সিলেটে পেট্টোল পাম্পের ম্যানেজারের ওপর হামলার প্রতিবাদে ধর্মঘট নগরীতে আজ থেকে মশক নিধন ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু আজ ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী আট বছর পর খালাস পেলেন আসিফ আকবর ওসমান হাদি হত্যার নির্দেশদাতা কারা? স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের নাম জানা যাবে কাল ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু নিহত

সুনামগঞ্জে স্ত্রীকে হ ত্যা র দায়ে স্বামীর মৃ ত্যু দ ণ্ড

প্রথম সকাল ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ২৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৫
  • ১৫৭ বার পড়া হয়েছে

সুনামগঞ্জে যৌতুকের দাবিতে স্ত্রীকে হত্যার দায়ে স্বামীকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়ে়ছে। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) সুনামগঞ্জের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনালের বিচারক (জেলা ও দায়রা জজ) মুহাম্মদ হাবিবুল্লাহ এই রায় দেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হলেন সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার পৈলনপুর গ্রামের বাসিন্দা শাহীন মিয়া (৪৮)। তিনি পলাতক আছেন।

রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর মো. শামছুর রহমান। মামলা সূত্রে জানা যায়, ছাতক উপজেলার পৈলনপুর গ্রামের শাহীন মিয়ার সঙ্গে বিয়ে হয়েছিল একই উপজেলার মৈশাপুর গ্রামের সৌদিআরব প্রবাসী ছবদর আলীর মেয়ে সুহেনা বেগমের। বিয়ের পর থেকেই শাহীন মিয়া ব্যাবসার জন্য বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে সুহেনা বেগম চাপ দিতে থাকেন।

বিভিন্ন সময় এ জন্য তাকে শারীরিক নির্যাতন করতেন। শাহীন ও সুহেনার দুই সন্তান আছে। সুহেনার বাবা ছবদর আলী মেয়ের সংসার টিকিয়ে রাখতে বিভিন্ন সময় টাকাও দিয়েছেন। এক পর্যায়ে শাহীন পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক দাবি করেন। কিন্তু সুহেনা বাবার বাড়ি থেকে টাকা এনে দিতে অস্বীকার করেন।

২০১২ সালে ২০ মার্চ সন্ধ্যায় সুহেনা বেগম তার মা হালিমা বেগমকে ফোন করে জানান যৌতুকের টাকার জন্য তার স্বামী তাকে মারধর করেছেন। এরপর রাত দুইটার দিকে শাহীন মিয়া হালিমা বেগমেক ফোন করেন জানান, সুহেনাকে পাওয়া যাচ্ছে না। হালিমার স্বামী তখন প্রবাসে। পরদিন সকালে তিনি পৈলনপুর গ্রামে মেয়ের বাড়িতে গিয়ে তাকে পাননি।

তখন শাহীনও বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যান। পরে তিনি থানায় একটি জিডি করেন। এর দুইদিন পর গ্রামের পাশের সুরমা নদীতে সুহেনার লাশ পাওয়া যায়। এ ঘটনায় সুহেনার মা হালিমা বেগম ছাতক থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। এই মামলায় আটজন সাক্ষ্য দেন। মামলার দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে রোববার রায় ঘোষণা করেন আদালতের বিচারক।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!