নিজস্ব প্রতিনিধি:- কেম্পানীগঞ্জ উপজেলার বর্নী ও কাটালবাড়ি গ্রামের মধ্যে সংঘর্ষ গতকাল শনিবার (১৪ ডিসেম্বর)থেকে শুরু হয়ে এখন পর্যন্ত চলমান। মোবাইলে চার্জ দেয়াকে কেন্দ্র করে এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
বর্নী থেকে কাঠাল বাড়ির দুরত্ব প্রায় ১০ কি মি। এই ১০ কি মি পায়ে হেটে বর্নী গ্রামের লোকজন যাচ্ছেন কাঠালবাড়ি গ্রামে আক্রমন করার জন্য এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের কাউকে দেখা যায়নি। এদিকে পুরো কোম্পানীগঞ্জ জুড়ে আতংক বিরাজ করছে।
গতকাল বিকাল ৫ টা থেকে রাত ৯ টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে। দুই পক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হন। এসময় দোকান ভাঙচুর ও গাড়িতে অগ্নিসংযোগ করা হয়। তারই পরিপ্রক্ষেতি আজ বর্নীগ্রামবাসী সভা করে কাঠালবাড়ি গ্রামে হামলার ঘোষনা দেন।
দা, সুলফি, ঝাটা, লাটি- সোটা নিয়ে হাজার হাজার মানুষ কাঠালবাড়ির দিকে রওয়ানা দিয়েছেন। পায়ে হেটে তারা ১০ কি মি পাড়ি দিয়ে গিয়ে হামলা চালাবেন বলেও জানা যায়।
শনিবার (১৪ ডিসেম্ভর) বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এ সংঘর্ষ চলে। এসময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থ হয়। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল ঘটনাস্থলে গেলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার বর্ণি গ্রামের এক ব্যক্তির সাথে মোবাইল চার্জ নিয়ে কাঠাঁলবাড়ী গ্রামের এক ব্যক্তির তর্কাতর্কি হয়। এ ঘটনায় এক পক্ষের লোকজন বর্ণি এলাকায় সড়কে গাড়ি আটক করে।
পরে থানা সদরে কোম্পানীগঞ্জ, বর্ণি ও কাঁঠালবাড়ী ৩ গ্রামের লোকজনের মধ্যে দেশী অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। পরে এটি সংষর্ঘে রূপ নেয়। প্রায় ৪ ঘন্টা ব্যাপী সংঘর্ষে অন্তত ৫০ জন আহত হন।