বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সৌদিতে নির্যাতনের শিকার মাধবপুরের আকলিমার দেশে ফেরার আকুতি শুক্রবার সিলেট আসছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী! হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রাথমিকভাবে পাঁচ কোটি পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড, ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হিরো আলম গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী, মহানবীর (স.) ন্যায়পরায়ণতা অনুসরণ করবো আইজিসহ পুলিশের শীর্ষ ৬ পদে পরিবর্তন আসছে, যে কোন সময় প্রজ্ঞাপন পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন এমপি তাহসিনা রুশদীর লুনা রোজার মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন, কে কতটি আসন পাবেন

‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী!

প্রথম সকাল ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ১ বার পড়া হয়েছে

নারীদের বিরুদ্ধে নতুন একটি কড়া আইন জারি করলো আফগানিস্তানের তালেবান সরকার। দেশটির সরকার স্বামীদের তাদের স্ত্রীদের ও সন্তানদের শারীরিকভাবে শাস্তি দেয়ার অনুমোদন দিয়েছে, যতক্ষণ না তাদের হাড় ভাঙে বা ক্ষত তৈরি হয়। এই আইনটিতে সই করেছেন ইসলামপন্থি গোষ্ঠীর সর্বোচ্চ নেতা হিবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা।

তবে মারধরের ফলে ‘হাড় ভেঙে গেলে’ বা ‘জখম হলে’ স্বামীদের শাস্তি পেতে হবে নতুন এই আইনে বলা হয়েছে। ‘অশ্লীল বলপ্রয়োগের’ ক্ষেত্রে যদি কোনো স্বামী দৃশ্যমান হাড় ভাঙেন বা আঘাত করেন, তাহলে তাকে মাত্র ১৫ দিনের কারাদণ্ড হতে পারে। তাছাড়া, পুরুষকে কেবল তখনই দোষী সাব্যস্ত করা হবে যদি কোনো নারী আদালতে নির্যাতনের প্রমাণ সফলভাবে দিতে পারেন।

নারীকে সম্পূর্ণরূপে ঢেকে বিচারকের কাছে তার ক্ষত দেখাতে হবে বলে আশা করা হয়। তার স্বামী বা একজন পুরুষ সহচরকেও আদালতে তার সাথে যেতে হবে। অন্যদিকে, একজন বিবাহিত নারী যদি তার স্বামীর অনুমতি ছাড়া তার আত্মীয়দের সাথে দেখা করেন তবে তাকে তিন মাস পর্যন্ত জেল হতে পারে। এনডিটিভির প্রতিবেদন বলছে, ৯ নম্বর অনুচ্ছেদে আফগান সমাজকে চারটি শ্রেণীতে ভাগ করা হয়েছে। ধর্মীয় পণ্ডিত (উলামা), অভিজাত (আশরাফ), মধ্যবিত্ত এবং নিম্নবিত্ত।

এই ব্যবস্থার অধীনে, একই অপরাধের শাস্তি আর প্রাথমিকভাবে অপরাধের প্রকৃতি বা গুরুত্ব দিয়ে নির্ধারিত হয় না বরং অভিযুক্তের সামাজিক অবস্থান দিয়ে নির্ধারিত হয়। আইন অনুযায়ী, যদি কোন ইসলামী ধর্মীয় পণ্ডিত কোন অপরাধ করেন, তাহলে তার প্রতিক্রিয়া কেবল পরামর্শের মধ্যেই সীমাবদ্ধ।

যদি অপরাধী অভিজাত শ্রেণীর হন, তাহলে তার পরিণতি হবে আদালতে সমন এবং পরামর্শ। তথাকথিত মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ব্যক্তিদের জন্য একই অপরাধের ফলে কারাদণ্ড হবে। কিন্তু নিম্ন শ্রেণীর ব্যক্তিদের জন্য শাস্তি কারাদণ্ড এবং শারীরিক শাস্তি উভয়ই। গুরুতর অপরাধের জন্য শারীরিক শাস্তি ইসলামী ধর্মগুরুরা দেবেন। সংশোধনাগার নয়। নতুন ৯০ পৃষ্ঠার দণ্ডবিধির মাধ্যমে ২০০৯ সালের নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা নির্মূল আইন বাতিল হয়েছে। যা পূর্ববর্তী মার্কিন-সমর্থিত শাসনব্যবস্থা প্রবর্তিত করেছিল। 

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!