সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের (এসএমপি) কমিশনার আবদুল কুদ্দুছ চৌধুরী বলেছেন, নগরীর হাউজিং এস্টেটে ঘটে যাওয়া ছিনতাইয়ের ঘটনাটি অনাকাঙ্ক্ষিত। পুলিশের কড়া নজরদারির মধ্যেও এমন দুই-একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে।
তবে জড়িতদের ইতোমধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তারা এই মুহুর্তে শহরের মধ্যে নেই। শহরের বাইরে বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করছে। তাদের ধরার জন্য পুলিশের অভিযান ও অবস্থান শনাক্ত করার চেষ্টা অব্যাহত আছে। খুব শীঘ্রই তাদের গ্রেফতার করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
মঙ্গলবার (৩মার্চ) রাতে চৌহাট্টা পয়েন্টে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। হাউজিং এস্টেটের ঘটনার পর চুরি-ছিনতাই কমেছে জানিয়ে পুলিশ কমিশনার বলেন, গত ১০দিনে ২৫ জন ও ১০ মাসে প্রায় আড়াইশ বেশি ছিনতাইকারীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে।
আমাদের এই কার্যক্রমটা যেকোনো জায়গার তুলনায় আমি মনে করি বেশি। তিনি জানান, ঈদকে সামনে রেখে নগরীর নিরাপত্তা নিশ্চিতে পুলিশ সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থানে রয়েছে। বর্তমানে পুলিশের আটটি বিশেষ টিম মাঠে কাজ করছে। শহরের বিভিন্ন পয়েন্টে তিনটি স্থায়ী এবং ১২টি স্পট চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
পবিত্র ঈদুল ফিতর পর্যন্ত এই নিরাপত্তা কার্যক্রম চলমান থাকবে। বিশেষ করে শপিং মল এবং যেখানে জনসমাগম বেশি, সেখানে বিশেষ পুলিশ ফোর্স ও সাদা পোশাকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে যাতে মানুষ নির্বিঘ্নে কেনাকাটা ও চলাচল করতে পারে। উল্লেখ্য-গত ২৪ ফেব্রুয়ারি দুপুরে সিলেট নগরীর হাউজিং এস্টেট এলাকায় অটোরিকশা থামিয়ে এক নারীর টাকাসহ ব্যাগ ছিনিয়ে নেয় তিনটি মোটের সাইকেলে ৬জন ছিনতাইকারী। এই ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও পুলিশ এখনো কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।