সোমবার, ১৬ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:১১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেট নগরীর সোনারপাড়া থেকে ৯ দিন ধরে কিশোর নিখোঁজ সিলেট নগরের চা বাগানের মন্দিরে অগ্নিসংযোগ সিলেটে রাজনৈতিক সভায় বক্তব্য দেওয়ায় ইমামকে চাকরি থেকে অব্যাহতি সিলেট বুরজান চা বাগান থেকে গ্রেপ্তার ৬ সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের হাতাহাতির ঘটনায় আ হ ত ৪ পুরো রমজান মাসে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের নির্দেশ বিরোধী দলীয় চিফ হুইপ ও হুইপ পদে আলোচনায় যারা কে হতে পারেন যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালের মন্ত্রী? আলেক্সি নাভালনিকে ব্যাঙের বিষ দিয়ে হ ত্যা করা হয়েছে, দাবি যুক্তরাজ্যের নতুন সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করলেই সেনাবাহিনী ব্যারাকে ফিরবে : সেনাপ্রধান

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের হাতাহাতির ঘটনায় আ হ ত ৪

প্রথম সকাল ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৮ বার পড়া হয়েছে

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (সিকৃবি) শিক্ষকদের দুটি পক্ষের কিছু শিক্ষকদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক দুর্নীতির অভিযোগকে কেন্দ্র করে উপাচার্যপক্ষ এবং শিক্ষকদের একটি অংশে পক্ষ্যের মধ্যে এ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। আজ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টার দিকে সিকৃবি ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। এ ঘটনাটিকে উল্লেখ করে মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর আঘাত হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন শিক্ষকদের একটি অংশ। দোষীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা। বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বর্তমান উপাচার্যের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই নিয়োগে অনিয়ম, পদোন্নতি বঞ্চিত করা এবং ক্ষমতার অপব্যাবহারের অভিযোগ তুলে আসছিলেন শিক্ষকদের একটি অংশ।

এসব বিষয়ে আলোচনা করতে কৃষিবিদ্যা ও হাওর কৃষি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হকের নেতৃত্বে কয়েকজন শিক্ষক উপাচার্যের কক্ষে যান। সেখানে উপাচার্যপন্থি শিক্ষকরাও উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা চলাকালে উত্তেজনা সৃষ্টি হলে একপর্যায়ে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার হওয়ার দাবি করে অধ্যাপক ড. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘প্রশাসনিক অনিয়ম নিয়ে কথা বলতে গেলে উপাচার্য ও প্রক্টরের অনুসারীরা আমার ওপর হামলা চালায়।

এতে আমার নাক ও মুখে আঘাত লাগে।’ অন্যদিকে, উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলাম অভিযোগ করেন, একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠী বিশ্ববিদ্যালয়ে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে। তাঁর দাবি, ওই গোষ্ঠীর কয়েকজন আগে প্রশাসনের গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন এবং আবারও সেসব পদ ফিরে পাওয়ার উদ্দেশ্যে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করছেন। উপাচার্য আরও জানান, আলোচনায় প্রশাসনের এক কর্মকর্তাকে ‘ফ্যাসিস্ট’ বলা হলে পরিস্থিতি আরও উত্তেজনাপূর্ণ হয়ে ওঠে।

এ সময় কেউ একজন ভিডিও ধারণ করতে গেলে তার মোবাইল ফোন কেড়ে নেওয়া হয়। হাতাহাতির একপর্যায়ে ওই ব্যক্তির দুই হাতের আঙুলে আঘাত লাগে। এ ঘটনায় আরও তিনজন শিক্ষক আহত হন বলে তিনি জানান। শিক্ষক নিয়োগে অনিয়মের অভিযোগ অস্বীকার করে উপাচার্য বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) নীতিমালা অনুসরণ করেই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘ছয়জন নতুন শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁদের মধ্যে তিনজন এই বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্র্যাজুয়েট। বিশেষায়িত বিষয়ে শিক্ষক না পাওয়ায় বাকি তিনজনকে বাইরের বিশ্ববিদ্যালয় থেকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।’ এ ঘটনার পর ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত সতর্কতা জারি করা হয়েছে। শিক্ষক সমিতির একাংশ নিরপেক্ষ তদন্ত কমিটি গঠন করে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

উল্লেখ্য, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়-এ সাম্প্রতিক সময়ে শিক্ষক নিয়োগ ও প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়ে একাধিকবার অসন্তোষ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি দেখা গেছে। বর্তমান উপাচার্য ড. আলিমুল ইসলাম দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এসব বিষয়ে বিভক্ত মত তৈরি হয়েছে বলে বিশ্ববিদ্যালয় সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!