বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১১:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সৌদিতে নির্যাতনের শিকার মাধবপুরের আকলিমার দেশে ফেরার আকুতি শুক্রবার সিলেট আসছেন বাণিজ্য ও শিল্পমন্ত্রী খন্দকার মুক্তাদির ‘হাড় না ভাঙা’ পর্যন্ত স্ত্রীকে মারতে পারবে স্বামী! হাসিনাকে ফেরাতে কূটনৈতিক প্রক্রিয়া চালিয়ে যাবে সরকার : পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী প্রাথমিকভাবে পাঁচ কোটি পরিবার পাবে ফ্যামিলি কার্ড, ঈদের আগেই পরীক্ষামূলকভাবে চালু হিরো আলম গ্রেপ্তার, কারাগারে প্রেরণ জাতির উদ্দেশে ভাষণে প্রধানমন্ত্রী, মহানবীর (স.) ন্যায়পরায়ণতা অনুসরণ করবো আইজিসহ পুলিশের শীর্ষ ৬ পদে পরিবর্তন আসছে, যে কোন সময় প্রজ্ঞাপন পবিত্র মাহে রমজানের শুভেচ্ছা জানালেন এমপি তাহসিনা রুশদীর লুনা রোজার মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন, কে কতটি আসন পাবেন

রোজার মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনে নির্বাচন, কে কতটি আসন পাবেন

প্রথম সকাল ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৬ বার পড়া হয়েছে

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন দ্রুত সম্পন্ন করতে চায় নির্বাচন কমিশন (ইসি)। রোজার মধ্যেই এ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পরিকল্পনা করা হয়েছে। ত্রয়োদশ সংসদের অধিবেশন শুরু হলে সংসদ সচিবালয়ের কাছে ভোটার হিসেবে সংসদ সদস্যদের তালিকা চাওয়া হবে। তারপর তফসিল ঘোষণা করা হবে।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ছেড়ে দেওয়া বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচন এবং শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনও ঈদের পর অনুষ্ঠিত হতে পারে। এ ক্ষেত্রে প্রবাসী ভোটারদের পোস্টাল ব্যালটের ভোট নেওয়ার বিধানের কারণে সময় একটু বেশি প্রয়োজন হতে পারে। গতকাল বুধবার নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছি আমরা। দ্রুতই তফসিল ঘোষণা করা হবে। রোজার মধ্যেই ভোট হয়ে যাবে বলে আমরা ধারণা করছি। সামনে একের পর এক স্থানীয় নির্বাচন করতে হবে ইসিকে। সংসদের দুটি আসনের ভোটগ্রহণের পর সিটি করপোরেশন দিয়ে স্থানীয় নির্বাচন শুরু হতে পারে। পর্যায়ক্রমে সব স্থানীয় নির্বাচন সেরে ফেলতে হবে। আমরা সব নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে প্রস্তুত হচ্ছি।’

উল্লেখ্য, সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে ভোটগ্রহণের বিধান থাকলেও প্রার্থিতা প্রত্যাহারের দিনই সবাই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে যান। কারণ জাতীয় সংসদের ৩০০ আসনের মধ্যে বিভিন্ন দল বা জোটের পাওয়া আসনের সংখ্যানুপাতিক হারে নারী আসন বণ্টন করা হয় এবং সেই অনুসারে দল বা জোট প্রার্থী মনোনয়ন দেয়। মনোনীত এসব প্রার্থীর বাইরে আর কারো প্রার্থী হওয়ার সুযোগ না থাকার কারণে ভোটগ্রহণের প্রয়োজন পড়ে না।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর ৩০ দিনের মাথায় ২০২৪ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে ইসি। এতে ৩৫ দিন পর, অর্থাৎ ১৪ মার্চ ভোটের তারিখ ঘোষণা করা হলেও ২৫ ফেব্রুয়ারি প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিনে ৫০ জন প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়। আগের নির্বাচনগুলোতেও একই ঘটনা ঘটে। অর্থাৎ তফসিল ঘোষণার ২০ দিনের মধ্যেই সংরক্ষিত নারী আসনের প্রার্থীরা নির্বাচিত হয়ে যাবেন। সে ক্ষেত্রে এবার ঈদের আগেই এ কাজটি সম্পন্ন হতে পারে।  ইসি রহমানেল মাছউদও গতকাল বলেন, ঈদের আগেই নারী আসনের নির্বাচনের যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করতে চায় ইসি।

কোন দল কতটা আসন পাবে : ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মোট ২৯৬টি আসনের ফলাফল গেজেট আকারে প্রকাশ করেছে ইসি। এই আসনগুলোর ফলাফল অনুসারে ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের মধ্যে বিএনপি জোট ৩৫টি এবং জামায়াত জোট ১৩টি আসন পেতে পারে বলে জানিয়েছে কমিশন। সংসদে একটি সংরক্ষিত নারী আসন পেতে একটি দল বা জোটের ছয়জন নির্বাচিত সংসদ সদস্য থাকা প্রয়োজন। এবার স্বতন্ত্র সংসদ সদস্যরা জোটবদ্ধভাবে একটি নারী আসন পেতে পারেন। তবে তাঁরা কোনো দলে যোগ দিলে নারী আসনের হিসাবে পরিবর্তন হতে পারে।

এবারের নির্বাচনে ফলাফল প্রকাশিত ২৯৬টি আসনের মধ্যে বিএনপি জোট ২১১টি, জামায়াত জোট ৭৪টি আসন এবং স্বতন্ত্ররা সাতটি আসন পেয়েছেন। চট্টগ্রাম-২ ও ৪ আসনের ফলাফল হাইকোর্টের আদেশে স্থগিত রাখা হয়েছে। নারী আসনের নির্বাচনের আগে এ দুটি আসনের ফলাফল প্রকাশ হলে সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনে কিছুটা পরিবর্তন আসতে পারে।

স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি : এদিকে সংসদ নির্বাচনের ডামাডোলের মধ্যেই স্থানীয় সরকার বিভাগ গত সপ্তাহে ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন ও চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনে ভোটের আয়োজন করতে চিঠি দিয়েছে। গতকাল প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকেও কত দ্রুততম সময়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের দিকে যাওয়া যায় তা নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানান অর্থ প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি।

স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরও দ্রুততম সময়ের মধ্যে সরকার জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভা নির্বাচনের উদ্যোগ নেবে বলে গতকাল জানিয়েছেন। জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর দেশের সব সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভার চেয়ারম্যান, মেয়র ও কাউন্সিলরদের অপসারণ করে অন্তর্বর্তী সরকার। এসব পদে তখন বেশির ভাগই ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতারা। গণ-অভ্যুত্থানের পর তাঁদের অধিকাংশই আত্মগোপনে চলে যান। পরে সরকার শীর্ষ পদে প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্ত নেয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুসারে সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও পৌরসভায় এখনো প্রশাসকরা দায়িত্ব পালন করছেন।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!