সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০১:৪১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সিলেটে বেড়েছে ছি/ন/তা/ই, কেউই নিরাপদ নন সিলেট অ/প/হ/র/ণ ও মুক্তিপণ আদায় চক্রের ১০ সদস্য আ*ট*ক চুনারুঘাটে ধরা পড়ল ‘বহুরূপী’ প্রতারক ও ধ র্ষ ক মৌলভীবাজার জেলায় নূরীয়া মিশন এর পক্ষ থেকে ও গ্রেটার সিলেট কমিউনিটি ইউকে’র আয়োজনে রামাদান ফুড প্যাকেজ বিতরন এতিম শিশুদের নিয়ে ইফতার করলো শান্তিগঞ্জ সমিতি সিলেট’ তাহিরপুর পুলিশের অভিযানে ১ পুরিয়া গাঁজা জব্দ, যুবককে মাদক কারবারি সাজিয়ে মামলা! হাদি হ/ত্যা/র আসামী ফয়সাল ও আলমগীরকে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু সিলেটে বার্টন, ইজি, মিলান, হিদায়াহ, ক্লাবহাউসসহ কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে জরিমানা সিলেটে নকল স্বর্ণ বিক্রির অভিযোগে আ ট ক ১ মুশফিকুল ফজল আনসারীসহ ৫ রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার

মুশফিকুল ফজল আনসারীসহ ৫ রাষ্ট্রদূতকে প্রত্যাহার

প্রথম সকাল ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ৮ মার্চ, ২০২৬
  • ৩ বার পড়া হয়েছে

পর্তুগাল, পোল্যান্ড, মেক্সিকো ও মালদ্বীপে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পাওয়া বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত যথাক্রমে এম মাহফুজুল হক, মো. ময়নুল ইসলাম, এম মুশফিকুল ফজল আনসারী ও মো. নাজমুল ইসলামকে প্রত্যাহার করে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। রোববার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে। এই চার রাষ্ট্রদূতকে চুক্তিতে নিয়োগ দিয়েছিল সাবেক অন্তর্বর্তী সরকার। তাঁদের মধ্যে মাহফুজুল হক সাবেক সচিব।

ময়নুল ইসলাম পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি)। অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর ময়নুল ইসলামকে আইজিপি করা হয়েছিল। কয়েক মাসের মাথায় ২০২৪ সালের ২০ নভেম্বর বাহারুল আলমকে আইজিপি নিয়োগ দিয়ে ময়নুল ইসলামকে রাষ্ট্রদূত করেছিল অন্তর্বর্তী সরকার।

সাংবাদিক মুশফিকুল ফজল দীর্ঘদিন যুক্তরাষ্ট্রে ছিলেন। বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের দমন–পীড়নের বিভিন্ন ঘটনা তিনি নিয়মিত যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর ও জাতিসংঘের মহাসচিবের মুখপাত্রের ব্রিফিংয়ে তুলে ধরতেন। গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর তাঁকে মেক্সিকোতে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত করা হয়েছিল।

আর মো. নাজমুল ইসলাম একজন একাডেমিক। তুরস্কের একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াতেন তিনি। তাঁকে চুক্তিতে মালদ্বীপে রাষ্ট্রদূত হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল অন্তর্বর্তী সরকার। চুক্তিতে নিয়োগ পাওয়া এই চারজনের সঙ্গে যুক্তরাজ্যে নিযুক্ত বাংলাদেশের হাইকমিশনার আবিদা ইসলামকেও প্রত্যাহার করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বদলি করা হয়েছে।

পেশাদার কূটনীতিক আবিদা ইসলামকে গত বছরের জানুয়ারিতে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দিয়েছিল গত অন্তর্বর্তী সরকার। ১৫ ব্যাচের ওই কূটনৈতিক যুক্তরাজ্যে বহুল আলোচিত হাইকমিশনার সাইদা মুনা তাসনিমের স্থলাভিষিক্ত হন। শুরু থেকেই আবিদা ইসলামের নিয়োগ নিয়ে আপত্তি ছিল বিএনপি-জামায়াতের।

এরআগে শনিবার রাষ্ট্রদূত আবিদাকে প্রত্যাহারের তথ্য নিশ্চিত করে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ূন কবীর বলেন, একটি সুসংবাদ হলো, লন্ডনে নিযুক্ত যে হাইকমিশনার এতদিন বিভেদমূলক আচরণ ও কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে আমাদের কমিউনিটিকে বিভক্ত করে রেখেছিলেন এবং সবকিছুতে দলীয়করণের (আওয়ামীকরণ) চেষ্টা করেছেন, তাকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তিনি কমিউনিটির স্বার্থ কিংবা বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থের তোয়াক্কা না করে কেবল দলীয় স্বার্থ হাসিল করতেই ব্যস্ত ছিলেন।

তিনি কমনওয়েলথের এক সফরে ব্রিটেনে এসে হিথ্রো বিমানবন্দরে নেমেই সাংবাদিকদের এমনটি বলেন। বিমানবন্দরে হুমায়ূন কবীবের সঙ্গে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তীকালীন সরকার আবিদা ইসলামকে লন্ডনে হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেয়। তবে তার বিরুদ্ধে শুরু থেকেই আওয়ামী লীগ সরকারের সময় সরকারের প্রতি অতিরিক্ত আনুগত্য প্রদর্শনের অভিযোগ ছিল বলে বিভিন্ন মহলে আলোচনা রয়েছে।

এর মধ্যে লন্ডনে বাংলাদেশ সেন্টারকে ঘিরে সাম্প্রতিক সময়ে একটি বড় বিতর্ক তৈরি হয়, যা প্রবাসী বাংলাদেশি কমিউনিটির মধ্যে বিভাজন সৃষ্টি করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনি অযাচিত ভাবে বৈঠক ডেকে তারপর সেখানে হাই কমিশনের কর্মকর্তা দিয়ে অশোভন আচরণ করিয়ে পরিস্থিতি ঘোলাটে করে নিজে পুলিশ ঢেকে তারপর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এসব রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারকে অতিসত্বর ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে যোগ দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!