নিজস্ব প্রতিবেদক:- নাজমা আক্তার নাজু, নাজমা খান নাজু, নাজমা খান, নাকি নাজমা খান আরজু কোনটি তার আসল নাম? তিনি আসলে কে? এ নিয়ে রয়েছে নানা গুঞ্জন। তার পরিচয়েও রয়েছে ভিন্নতা, কখনও সাংবাদিক, কখনও মহিলা আওয়ামিলীগ নেত্রী আবার নিঁজেকে কখনও কথিত ব্যবসায়ী বলে দাবী করেন।
তাই সবার প্রশ্ন বহুরুপি নাজমার আসল পরিচয় কি? তবে সুত্র থেকে জানা যায়, সিলেট সদর উপজেলার জালালাবাদ এলাকার হানিফ আলীর মেয়ে নাজমা।
যুবতী বয়স থেকেই নাজমা বাউন্ডুলে স্বভাবের ছিলেন, নিজে স্বাধীনভাবে চলাফেরার কারনে তার পরিবারকে এলাকার লোকজনের কাছ থেকে অনেক খারাপ মন্তব্য শুনতে হয়েছে। সুত্র জানায়, পারিবারিকভাবে নাজমা বিয়ে করলেও সে বিয়ে বেশীদিন টিকেনি। পরবর্তীতে নাজমা অহিদের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ে। অহিদ থেকে পরিচয় হেলালের সাথে। এরপর আর থাকে পিছন ফিরে থাকাতে হয়নি।
বর্তমানে তিনি সিলেট মহানগর মহিলা আওয়ামিলীগের ৭ নং ওয়ার্ডের সভাপতির পদে রয়েছন। তার ফেসবুক প্রোফাইলে গিয়ে দেখা যায় নাজমা খান আরজু ও নাজমা খান নাজু নামে দুটি আইডি রয়েছে। তবে নাজমার ফেসবুক প্রোফাইল চেক করে দেখা যায় সেখানে নাজমা খান নামেও একটি লিফলেট রয়েছে।
গত উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান হিসেবে প্রচারের পোস্টারে দেখা যায় তার নাম নাজমা আক্তার নাজু লেখা রয়েছে। এছাড়াও নাজমার বিরুদ্ধে গোলাপগঞ্জ থানায় দায়ের করা একটি মামলা থেকেও তার নাম নাজমা আক্তার নাজু বলে জানা যায়।
এদিকে সোমবার ২৮ অক্টোবর সিলেট কোতোয়ালী মডেল থানায় নাজুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা থেকেও জানা যায় তার নাম নাজমা আক্তার নাজু সেই হিসেবে ধরে নেয়া যায় তিনিই হলেন বহুরুপি মহিলা নাজু। কোতোয়ালী থানায় দায়ের করা মামলায় নাজুসহ মোট ২৫৮ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন নগরীর লালবাজার এলাকার বাসিন্দা মোঃ আক্তার আলী। এ মামলায় সাবেক আইন মন্ত্রী, সাবেক এমপি ও সাবেক মেয়রসহ মোট ২৫৮ জন আসামী রয়েছেন।
এই নাজু সম্পর্কে রয়েছে নানা কিচ্ছা কাহিনী। বিভিন্ন সুত্র থেকে জানা যায়, এর আগেও তার বিরুদ্ধে স্যাোসাল মিডিয়ায় বিস্তর লেখালেখি হয়েছে। তার বিরুদ্ধে শারীরিক সম্পর্কের নামে টাকা আত্বসাৎ ও দেহ ব্যবসার অভিযোগ তুলা হয়েছে। নাজুর কথিত স্বামী অহিদের বিরুদ্ধেও রয়েছে নারী পাচারের অভিযোগ।
অপর দিকে হেলাল আহমদ চৌধুরীর সাথেও নাকি রয়েছে তার গভীর সম্পর্ক। ৪ আগষ্টের পর থেকে নাজমা গোলাপগঞ্জের হেলাল আহমদ চৌধুরী উরফে কানা হেলালের বাড়িতেই স্বামী স্ত্রী হিসেবে বসবাস করেছেন বলে সুত্রের দাবী।
সুত্র থেকে জানা যায়, নাজমা হেলালের মাধ্যমে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন মহল থেকে ফায়দা হাসিল করতেন। তাকে সাংবাদিকতার কার্ডও তৈরী করে দেন হেলাল। বিনিময়ে নাজমা ও হেলাল ৩দিন ঢাকা শহর বেড়িয়ে আসেন!