মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৫:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
মাহমুদ ও মানিকের আগ্রাসনে লন্ডভন্ড জাফলং, বলির পাঁঠা শ্রমিক ৫ আগস্টের পরের মামলাগুলো যাচাই-বাছাই করা হবে : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দিরাইয়ে নিজ দলের নেতার উপর হামলার অভিযোগে বিএনপির ২৪ জনের বিরুদ্ধে মামলা আজমিরীগঞ্জে গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে আহত ৩০ প্রতারণার অভিযোগে আবারও গ্রেপ্তার হলেন গায়ক নোবেল গোয়ালাবাজারে একাধিক মামলার আসামি সৈয়দ আলী আহমেদ পলাতক জরুরি ভিত্তিতে ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবল নিয়োগ : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৃটেনের কার্ডিফের ইন্টারন্যাশনাল ম্যাদার ল্যাংগুয়েজ মনুমেন্টে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত মন্ত্রী মুক্তাদিরের কাছে সিলেট বিভাগ গণদাবী ফোরামের স্মারকলিপি প্রদান সিলেটে যুক্তরাজ্য যুবদল সভাপতি আফজল হোসেনকে সংবর্ধনা

নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে ৩ মাস ধরে বন্ধ মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন

প্রথম সকাল ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : সোমবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

তথ্য ফাঁসের ঘটনাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাঝুঁকি এড়াতে অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন বন্ধ রাখা হয়েছে। ফলে সেবাপ্রত্যাশীদের ছুটতে হচ্ছে নিবন্ধকের কার্যালয়ে। এর আগে জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন অনলাইনেই করা যেত। আবেদন করার পর তার অনুলিপি নিয়ে নিবন্ধন কার্যালয়ে যেতেন সেবাপ্রত্যাশীরা। কার্যালয় থেকে হাতে পেতেন নিবন্ধনের সনদ। জন্মনিবন্ধনে সমস্যা না হলেও তিন মাস ধরে অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন করা যাচ্ছে না।

নিরাপত্তার কারণে তা বন্ধ রাখা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছ থেকে জানা গেছে।  সরকারি ভাতাসহ উত্তরাধিকার, পারিবারিক সম্পত্তির বণ্টন, পেনশন প্রাপ্তি, জমিজমা বা সম্পত্তির নামজারিসহ নানা প্রয়োজনে মৃত্যু নিবন্ধন সনদ প্রয়োজন। কোনো মৃত ব্যক্তির যদি জন্মনিবন্ধন না থাকে, তাহলে তার মৃত্যুর পর মৃত্যুনিবন্ধন করার আগে জন্মনিবন্ধন করিয়ে নিতে হয়। জন্ম ও মৃত্যুর ৪৫ দিনের মধ্যে নিবন্ধন করলে কোনো ফি লাগে না। ৪৫ দিন থেকে ৫ বছরের মধ্যে করলে ২৫ টাকা এবং ৫ বছর পর করালে ৫০ টাকা ফি লাগে। তথ্য সংশোধনের জন্য ১০০ টাকা লাগে।

অনলাইনে আবেদন করার পর নিবন্ধকের কাছ থেকে সনদ নিতে হয়। ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ক্ষেত্রে প্রশাসনিক কর্মকর্তা বা ইউপি সচিব সহকারী নিবন্ধক আর ইউপি চেয়ারম্যান নিবন্ধক। সিটি করপোরেশন এলাকায় আঞ্চলিক কার্যালয়ে গিয়ে নিবন্ধন করাতে হয়। জন্ম ও মৃত্যুনিবন্ধন করা হয় সরকারি এই ওয়েবসাইটে (https://bdris.gov.bd/)।

এখন সেখানে আবেদন করতে গেলে ইউজার আইডি ও পাসওয়ার্ড চাওয়া হচ্ছে, যা নিবন্ধক ও সহকারী নিবন্ধকের কাছে থাকে। নিরাপত্তার কারণ:- অনলাইনে মৃত্যুনিবন্ধন আবেদন কেন বন্ধ রয়েছে জানতে চাইলে রেজিস্ট্রার জেনারেলের (অতিরিক্ত দায়িত্ব) দায়িত্বে থাকা আবু নছর মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ বলেন, তিনি অল্প কিছুদিন হলো এ কার্যালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। তাই এ বিষয়ে পূর্ণাঙ্গ কোনো তথ্য দিতে পারছেন না।

রেজিস্ট্রার জেনারেলের কার্যালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিরাপত্তার কারণে অনলাইনে শুধু মৃত্যুনিবন্ধন বন্ধ রাখা হয়েছে। মৃত্যুনিবন্ধন ঘিরে একটি চক্র ব্যক্তিগত তথ্য বিক্রি করছে বলে খবর পাওয়ার পর গত বছরের ২১ নভেম্বর আবেদন নেওয়া বন্ধ করে দেওয়া হয়। এক কর্মকর্তা বলেন, মারা গেছেন এমন ব্যক্তির যদি আগে থেকে জন্মনিবন্ধন করা না থাকে, তাহলে মৃত্যুনিবন্ধনের আগে ওই ব্যক্তির জন্মনিবন্ধন করতে হয়।

কিছু ব্যক্তির হাতে সেসব তথ্য চলে যায় এবং তারা অর্থের বিনিময়ে সেসব তথ্য ব্যবহার করেছে। এটা জানার পর সিস্টেমে কিছু ব্যবস্থা বন্ধ রাখা হয়েছে। তার মধ্যে রয়েছে মৃত্যুনিবন্ধনের নতুন আবেদন, মৃত্যুসনদ প্রিন্ট, মৃত্যুসনদ পুনর্মুদ্রণ। রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের তথ্য অনুসারে, মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন অনলাইনে নেওয়া বন্ধ থাকলেও নিবন্ধন কার্যালয়ে এসে যে কেউ আবেদন করতে পারছেন।

কবে নাগাদ এগুলো খুলে দেওয়া হবে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে মৃত্যুনিবন্ধনের নতুন আবেদন অনলাইনে খুলে দেওয়া হতে পারে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে আবেদনের সঙ্গে মুঠোফোন নম্বর সংযুক্ত করা হচ্ছে বলে জানান তিনি। তাতে কোনো তথ্য যাচাই করতে হলে নির্ধারিত ব্যক্তির মুঠোফোন নম্বরে ওটিপি (ওয়ান টাইম পাসওয়ার্ড) যাবে।

রেজিস্ট্রার জেনারেল কার্যালয়ের তথ্য অনুসারে, মৃত্যুনিবন্ধনের আবেদন অনলাইনে নেওয়া বন্ধ থাকলেও নিবন্ধন কার্যালয়ে এসে যে কেউ আবেদন করতে পারছেন।  ওয়েবসাইটে দেওয়া সবশেষ তথ্য অনুসারে, ২৯ জানুয়ারি সারা দেশে ৪ হাজার ২১০টি মৃত্যুনিবন্ধন হয়েছে। তার মধ্যে মৃত্যুনিবন্ধন সংশোধনের আবেদন ছিল ৩৬টি।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!