নিজস্ব প্রতিবেদক:- সাজ্জাদুর রহমান মুন্না যাকে গ্রেফতার করা হয়েছিল ৩০ অক্টোবর দিবাগত রাতে সোনার পাড়ার নবারুন-০৬ নং বাসা থেকে। তার বিরুদ্ধে ছিল সিলেট কোতয়ালী মডেল থানায় দায়ের করা মামলা যার নং-০৬ (০৯)২০২৪)।
তাকে আটকের পর আদালতের মাধ্যমে পাঠানো হয় কারাগারে। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল গত ৪ আগষ্ট বিকেলে সিলেট নগরীর চারাদিঘীরপারে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-আন্দোলনে হামলার ঘটনা ঘটে।
এ ঘটনায় ৩ সেপ্টেম্বর কোতোয়ালি থানায় দণ্ডবিধির ১৪৮/১৪৯/৩২৩/৩২৫/৩২৬/৩০৭/১১৪/৩৪ পেনালকোড ১৮৬০তৎসহ ১৯০৮ সনের বিস্ফোরক উপাদানবলী আইনের ৩/৪ ধারায় এ মামলাটি দায়ের করেন নগরীর চারাদিঘীরপার আল আমিন-৬৪ আবাসিক এলাকার হাবিব উল্লা’র ছেলে ও ১৬ নং ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য সচিব আলাল আহমদ (৪৫)। মামলা নং ০৬ (০৯)২০২৪)।
সিলেট সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আনোয়ারুজ্জামান চৌধুরীকে প্রধান আসামি করে দায়ের হওয়া এ মামলায় ১১৮জনের নামোল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ১৫০ থেকে ২০০জনকে আসামি করা হয়। এ মামলারই ১১৬ নং আসামি সাজ্জাদুর রহমান মুন্না (৩২)।
কিন্তু হঠাৎ করে গ্রেফতারের পর তার রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে শুরু হয়েছে গুঞ্জন। কেউ বলছেন আটক মুন্না ফিনল্যান্ড বিএনপি নেতা কেউ বলছেন তিনি সিলেট ৩ আসনের পলাতক আসামী এমপি হাবিব হেসেনের ঘনিষ্টজন আবার কেউ কেউ বলছেন সে যুবলীগ নেতা।
তবে বিভিন্ন সুত্র থেকে পাওয়া ছবি দেখে বুঝা যায় তিনি আওয়ামিলীগের সাথে জড়িত। কয়েকটি সুত্র থেকে পাওয়া তথ্যে জানা যায়, তিনি মামলা থেকে বাঁচতে এখন বিএনপি নেতা সাজার অভিনয় করছেন।
তিনি যুবদলের মামলায় গ্রেফতার হয়ে যুবলীগ থেকে কিভাবে হয়ে গেলেন বিএনপি নেতা! বর্তমানে কারাগারে বন্দি সাজ্হাদুর রহমান মুন্নার রাজনৈতিক পরিচয় কি! তিনি বিএনপি নেতা নাকি যুবলীগ নেতা এ নিয়ে সুষ্টি হয়ছে ধ্রুমজাল!!