প্রথম সকাল ডেস্ক:- বাফুফের সভাপতি পদে নির্বাচন করার হাঁকডাক দিয়ে মনোনয়ন পত্রটাই তোলেননি তরফদার রুহুল আমিন। সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে ইমরুল হাসান প্রার্থী হলেন, হঠাৎ করে সেখানে গিয়ে নির্বাচন করার ঘোষণা দিলেন এবং মনোনয়নপত্র তুলে জমাও দিলেন।
মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দিনই গুঞ্জন ছিল রুহুল আমিন সিনিয়র সহ-সভাপতি পদেও নির্বাচন করবেন না। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়া একটা প্রার্থীর মধ্যে নির্বাচনী স্বতঃস্ফূর্ততা যতটা দেখা যায় তার ছিটেফোঁটাও রুহুল আমিনের মধ্যে ছিল না। বেশ চুপচাপ ছিলেন।
সংবাদ মাধ্যমের কাছে গিয়ে রুহুল আমিন জানালেন, তিনি তাবিথকে সমর্থন দিচ্ছেন। তাবিথ তার কথা অস্বীকার করেছেন। রুহুল আমিনের সঙ্গে তাবিথের কোনো কথাই নাকি হয়নি। রুহুল আমিন ইমরুল হাসানের পথ থেকে সরে দাঁড়ালেন।
এই পদে দুজনই ছিলেন। রুহুল আমিন সরে যাওয়ায় ইমরুলকে ভোট চাইতে হবে না। এখন তিনি আনুষ্ঠানিক ঘোষণার অপেক্ষা করবেন। ভোটের লড়াই হলেও ইমরুলের সম্ভাবনা ছিল প্রবল। অনেক এগিয়ে ছিলেন।
ফুটবল মহলের বিশ্বাস ব্যালটের লড়াই হলে ইমরুলের জয় হতে পারত বিরাট ব্যবধানে। কারণ রুহুল আমিন আস্থা তৈরি করতে পারেননি। নিজের অবস্থান নিয়ে টালমাটাল ছিলেন। আত্মবিশ্বাস ছিল না। তার পরামর্শকরা রুহুল আমিনকে সঠিক পরামর্শ দেননি।
রুহুল আমিন নির্বাচনের ঘোষণা দেন, নিজেই সরে যান। ২০২০ সালে বলেছিলেন, চাপে সরে গেছেন। এবার সরে যাওয়ার সময় নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে গেছেন।
পাঁচটি অভিযোগ দিয়ে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিয়েছেন, গতকাল শেষ দিনে। তিনি অভিযোগ করেছেন প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন। যে কথাগুলো আগে কখনো বলেননি।
মনোনয়নপত্র কেনার সময় বলেননি। জমা দেওয়ার সময়ও বলেননি। জানিয়েছেন আমাদের সবার উদ্দেশ্য ফুটবলের জন্য কাজ করা।
রুহুল আমিন বাফুফের সাধারণ সম্পাদক বরাবর প্রত্যাহারপত্র দিয়েছেন। প্রতিনিধি পাঠিয়ে শেষ সময় বেলা ২টার আগ মুহূর্তে প্রত্যাহারপত্র জমা দিতে পাঠান। নির্বাচন কমিশন তার আবেদনপত্রের ভুল শুধরানোর জন্য সময় দেন।
নির্বাচন কমিশনার মেজবাহ উদ্দিন এ ব্যাপারে বলেন, ‘এটা করণিক ভুল। সেটা শুধরানোর জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল, সেটা তিনি করে দিয়েছেন।