সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ক্যাবল ব্যবসায় মালিকানার ভাগ চেয়ে হ ত্যা র হুমকি, যুবদলের ২ নেতা বহিষ্কার দায়িত্ব ছাড়ার পরও এক বছর ভিআইপি মর্যাদায় থাকছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস সিলেটে ছিনতাইকারীর সদস্য গ্রেপ্তার সিলেটে কিশোর গ্যাংয়ের ৬ সদস্যকে কারাগারে প্রেরণ জৈন্তাপুরে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সময় প্রাণ গেল যুবকের বন্দরবাজার থেকে ৭ ছিনতাইকারী গ্রে প্তা র : চাকু উদ্ধার ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমেদিনেজাদ নি হ ত খামেনির মৃ ত্যু তে হামাসের শোক, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে দায়ী ইরানের আঘাতে ইসরাইলে নি হ তে র সংখ্যা লাফিয়ে বাড়ছে আরিফকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ফোন, খোঁজ নিলেন বিদেশযাত্রীদের

খামেনিকে হত্যার ‘নেপথ্যে সৌদি আরব’

প্রথম সকাল ডেস্ক
  • প্রকাশের সময় : রবিবার, ১ মার্চ, ২০২৬
  • ৩৫ বার পড়া হয়েছে

ইরানের রাজধানী তেহরানসহ দেশটির বহু শহরে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকালে থেকে আকস্মিক মুহুমুহু হামলা শুরু করেছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। দেশ দুইটির যৌথ হামলায় ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হয়েছেন। সেইসঙ্গে ইরানের শীর্ষ আরও অনেক নেতা ও কমান্ডার নিহত হয়েছেন। এমন পরিস্থিতির মধ্যে চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এবং বার্তা সংস্থা রয়টার্স। 

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানে হামলা শুরুর নেপথ্যে রয়েছে ইসরায়েল ও সৌদি আরব। দেশ দুইটির চাপেই ইরানে হামলা শুরু হয়েছে বলে রিপোর্টে বলা হয়েছে।  রয়টার্স বলছে, ইরানে হামলা না করার জন্য সৌদি যুবরাজ প্রকাশ্যে কূটনীতিকে সমর্থন দিতেন এবং বলতেন, তেহরানে হামলা চালানোর জন্য সৌদির ভূখণ্ড ব্যবহার করা যাবে না।  

কিন্তু মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার সময় ইরানে হামলা নিয়ে ভিন্ন কথা বলতেন সৌদি যুবরাজ। তিনি ট্রাম্পকে সতর্ক করতেন, ইরানে হামলা চালাতে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ না নিলে পরিণতি খারাপ হবে।  দুইটি সূত্র রয়টার্সকে জানিয়েছে, ইরানে হামলা শুরুর কিছুক্ষণ আগে খামেনি নিরাপদ একটি স্থানে তার দুই সিনিয়র উপদেষ্টা আলি লারিজানি এবং আলি শামখানির সঙ্গে বৈঠক করছিলেন।

এরপরেই সেখানে অতর্কিত হামলা চালায় ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্র।  এদিকে ওয়াশিংটিন পোস্ট, তেহরানে হামলা ইস্যুতে সৌদি ও ইসরায়েলের একই অবস্থানের জন্য তাদেরকে ‘মধ্যপ্রাচ্যের অস্বাভাবিক মার্কিন মিত্র জুটি’ হিসেবে উল্লেখ করেছে। রিপোর্টে বলেছে, দেশ দুইটির এই যৌথ প্রচেষ্টা ট্রাম্পকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনিকে ক্ষমতা থেকে উৎখাতের জন্য অভিযান চালাতে উদ্বুদ্ধ করেছে। রিপোর্টে আরও বলা হয়েছে, ইসরায়েল-সৌদির চাপেই ট্রাম্প ইরানে হামলা শুরু করেছে।

ইরানে হামলা শুরুর করার জন্য ট্রাম্পের সঙ্গে একাধিকবার কথা বলেছেন সৌদি যুবরাজ। অথচ প্রকাশ্যে তিনি ভিন্ন কথা বলতেন।  যুবরাজ সালমান ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানকে বলেছিলেন, তেহরানে হামলার জন্য সৌদি আরব তার আকাশসীমা বা ভূখণ্ড ব্যবহার করতে দেবে না। অন্যদিকে মার্কিন কর্মকর্তাদের যুবরাজ বলতেন, মধ্যপ্রাচ্যে ওয়াশিংটন যদি তাদের উল্লেখযোগ্য সামরিক শক্তি ব্যবহার না করে, তাহলে ইরান আরও শক্তিশালী এবং বিপজ্জনক হয়ে উঠবে।

গত জানুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় যুবরাজের ভাই খালিদ বিন সালমানও মার্কিন কর্মকর্তাদের সঙ্গে প্রাইভেট বৈঠকে একই বার্তা দিয়েছিলেন। যুবরাজ সালমানের ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিরা জানিয়েছেন যে তিনি তেহরানকে রিয়াদের প্রধান আঞ্চলিক প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখেন। সর্বশেষ, ট্রাম্প ঘোষণা দিয়েছেন যে ইরানে সরকার পরিবর্তন না হওয়া পর্যন্ত হামলা অব্যাহত থাকবে। 

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!