রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১১:১২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান শাহজালাল (রহ.)–এর ব্যবহৃত সামগ্রী সংরক্ষনের জন্য জাদুঘর স্থাপনের নির্দেশ সিলেটে অনটেষ্ট সিএনজি, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর নির্দেশনা সিলেটে ফাহিম হ ত্যা মামলার পলাতক আসামি ‘কুত্তা রনি’ গ্রে ফ তা র জকিগঞ্জে ইট চুরির অভিযোগে যুব জামায়াতের সেক্রেটারিসহ গ্রেপ্তার ৬ ছাতকে বিভিন্ন মামলার ৩ আসামী গ্রেফতার জকিগঞ্জে রাতের আঁধারে রাস্তার ইট চুরি সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার ছিনতাইকারীর হাতের কবজি কে টে পুলিশে সোপর্দ বিমানবন্দরে প্রবাসীদের ‘স্যার’ সম্বোধন সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে

এমসি কলেজের শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমাবেশ

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০২৫
  • ১০৬ বার পড়া হয়েছে

প্রথম সকাল ডেস্ক:- সিলেট মুরারিচাঁদ কলেজের (এমসি কলেজ) শিক্ষার্থীর উপর হামলার প্রতিবাদে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেছেন শিক্ষার্থীরা। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) রাতে শিক্ষার্থীরা এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করেন

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়:- এমসি কলেজের শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনও বিক্ষোভ মিছিল শেষে সমাবেশ করেছে। সমাবেশে তারা শিবিরকে গুপ্ত রাজনীতি থেকে বের হয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছে।

রাত সাড়ে আটটার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ভিসি চত্বর হয়ে আবার রাজু ভাস্কর্যের সামনে এসে একটি সংক্ষিপ্ত সমাবেশ করে।

সমাবেশে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সদস্যসচিব আরিফ সোহেল বলেন, ‘বাংলাদেশে সহিংসতার রাজনীতি আবার ফিরে আসছে। শিক্ষাঙ্গনগুলোতে ছাত্রদের ওপরে, ছাত্রদের মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপরে হামলা আসছে। সিলেটের এমসি কলেজে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে সম্পৃক্ত একজনের ওপর ইসলামী ছাত্রশিবিরের একজন কর্মী আঘাত করেছে, তাকে আহত করেছে। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা জানাই।’

আরিফ সোহেল বলেন, ‘ক্যাম্পাসে সহিংসতার রাজনীতি ফেরত আসাকে আমরা অবশ্যই প্রতিহত করব। বাংলাদেশে সহিংসতার কোনো রাজনীতি আর হবে না। ছাত্রদল বা ছাত্রশিবির যদি সহিংসতা কিংবা পুরোনো রাজনীতি ফিরিয়ে আনতে চায়, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন তাদের প্রতিহত করবে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার বলেন, ‘চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সন্ত্রাসকে বিতাড়িত করেছিলাম। কিন্তু আমরা দেখছি, বিভিন্ন সংগঠন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে নতুন করে সন্ত্রাস কায়েম করতে চায়। আমরা তাদের এই সমাবেশ থেকে ধিক্কার জানাই।’

আবু বাকের মজুমদার বলেন, ‘আজ এমসি কলেজে আমাদের এক সহযোদ্ধার ওপর বর্বর হামলা চালিয়েছে ইসলামী ছাত্রশিবির। আমরা এর তীব্র নিন্দা জানাই। এর আগে আমরা দেখেছি, কুয়েটে ছাত্রদল শিক্ষার্থীদের ওপর কীভাবে হামলা চালিয়েছে। আমরা এসব সন্ত্রাসবাদের নিন্দা জানাই৷ জড়িত ব্যক্তিদের অতি দ্রুত আইনের আওতায় আনার মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাস প্রতিহত করতে হবে।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক তাহমিদ আল মুদাসসির চৌধুরী, হাসিব আল ইসলাম প্রমুখ।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়:-  এদিকে একই ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারী) রাত সাড়ে নয়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের জিরো পয়েন্টে এই বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের আয়োজন করা হয়। চট্টগ্রামভিত্তিক অন্যতম সমন্বয়ক খান তালাত মাহমুদ রাফিও একই ঘোষণা দেন।

শিক্ষার্থীকে শিবিরের মারধরের প্রতিবাদে এবং হামলাকারীদের বিচারের দাবিতে আয়োজিত বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘এমসি কলেজে হামলা হলে আবরার তোমায় মনে পড়ে, জ্বালোরে জ্বালো আগুন জ্বালো, আমার ভাই আহত কেন প্রশাসন জবাব চাই, আমার ভাই কবরে খুনি কেন ভারতে, সন্ত্রাসীদের ঠিকানা এই বাংলায় হবে না’ সহ বেশ কিছু স্লোগান দেয়’।

এ সময় বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক আরিয়ান রাকিব বলেন, ‘আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন সকল হামলার বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবো। এমসি কলেজে যে হামলা হয়েছে তার বিরুদ্ধে প্রশাসনকে যথাযোগ্য ব্যবস্থা নিতে হবে। ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হলে আমরা কঠোর আন্দোলনে নামবো।

ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক আব্দুল্লাহ রাকিব বলেন, ‘আমরা আশা করেছিলাম দেশের বিভিন্ন ক্যাম্পাসে যে অরাজকতার পরিবেশ ছিলো বিপ্লব পরবর্তী সময়ে তা মুছে ফেলবো। কিন্তু আমরা তা পারিনি।

আমাদের বিপ্লব ছিলো বাকস্বাধীনতার বিপ্লব। যদি আমরা দেশ গঠনে সচেষ্ট থাকতে চাই তাহলে আমাদের এক হয়ে থাকতে হবে। না হলে স্বৈরাচারী নিয়ম আবার এ দেশে ফিরে আসবে।’

চবির সহ-সমন্বয়ক রশিদ দিনার বলেন, ‘আমরা একটা কথা বলি ছাত্রদল ও শিবির যে দিকে ধাবিত হচ্ছে আমরা অতি শীঘ্রই খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে পড়ে যাবো। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দখলদারীর রাজনীতি থেকে এদেশকে রক্ষা করার জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। যারা দখলদারীর রাজনীতি করবে তাদের কোনোভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না।’

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়:- সিলেটে মিজানুর রহমান নামে  শিক্ষার্থীকে পেটানোর প্রতিবাদে রাজশাহী বিক্ষোভ হয়েছে। ২০ ফেব্রুয়ারী বৃহস্পতিবার রাতে এসব কর্মসূচি থেকে ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীরা।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার রাতে শহীদ শামসুজ্জোহা চত্বরের পাশে বিক্ষোভ সমাবেশ করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নেতা-কর্মীরা।

সমাবেশটি সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক ফজলে রাব্বি মো. ফাহিম রেজা।

এ সময় আরও বক্তব্য দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সমন্বয়ক আকিল বিন তালেব ও মেহেদী সজীব এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগের শিক্ষার্থী মো. সজীব।

সমন্বয়ক আকিল বিন তালেব বলেন, ‘সিলেটের এমসি কলেজে ফেসবুকের এক কমেন্টের জেরে শিক্ষার্থীকে মারধরের ঘটনা অভ্যুত্থান পরবর্তী বাংলাদেশে কোনোভাবেই কাম্য নয়।

এ ঘটনায় শিবিরের দিকে অভিযোগ উঠেছে। তবে শিবিরের কেন্দ্র থেকে এ সম্পর্কে কিছু স্পষ্ট করা হয়নি। শিবির নির্যাতিত ছাত্রসংগঠন; কিন্তু তারা ভিন্নমত দমনে এ ধরনের আচরণ করলে মেনে নেওয়া হবে না। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত করে দোষীদের বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

মেহেদী সজীব বলেন, ‘৫ আগস্টের পর বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেন পেশিশক্তির রাজনীতি প্রবেশ করতে না পারে এ জন্য আমরা কঠোর অবস্থান নিয়েছিলাম। তবুও কুয়েট ও সিলেটের এমসি কলেজে ন্যক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে।

আমরা এ ঘটনা বিচারের দাবি জানাচ্ছি। এ ঘটনায় জড়িত যে সংগঠনের নাম উঠে এসেছে, তা তদন্ত করে দোষীদের শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। আবার অনেকে প্রচারণা চালাচ্ছে নির্যাতিত শিক্ষার্থী ছাত্রলীগের দোসর। ওই শিক্ষার্থী যেই হোক না কেন, কোনোভাবেই এ ধরনের আধিপত্যবাদী রাজনীতি মেনে নেওয়া হবে না।’

জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়:- এদিকে জাহাঙ্গীনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের বটতলা এলাকা থেকে রাত ৯টার দিকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন একদল শিক্ষার্থী। মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকটি সড়ক ঘুরে একই স্থানে গিয়ে শেষ হয়। পরে সেখানে সমাবেশ করেন তারা।

মিছিল পরবর্তী সমাবেশ সঞ্চালনা করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের শিক্ষার্থী শোয়াইব হাসান। এতে বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সরকার ও রাজনীতি বিভাগের ৫০তম ব্যাচের শিক্ষার্থী জিয়াউদ্দিন আয়ান, গণঅভ্যুত্থান রক্ষা আন্দোলনের আহ্বায়ক আবদুর রশিদ, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন জাবি শাখার সদস্যসচিব তৌহিদ সিয়াম প্রমুখ।

সমাবেশে আবদুর রশিদ বলেন, ‘যে আশা-আকাঙ্ক্ষা, যে স্বপ্ন নিয়ে আমরা রাজপথে ছিলাম, মাত্র সাত মাসের মধ্যে ছাত্র সংগঠনগুলোর এমন কার্যকলাপ আমাদের ব্যথিত করেছে। আমরা বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তে বিশ্বাসী। আপনারা দয়া করে এদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গুলোতে রাজনৈতিক নোংরামি দেখাবেন না।’

তৌহিদ সিয়াম বলেন, ‘নতুন বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে গত ৫ আগস্ট সবাই একত্রে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে যারা স্বৈরাচার শেখ হাসিনার বিদায়ের সংগ্রামে নেমেছিলাম, আজ তারাই বিভক্ত হয়ে ছাত্রলীগের মতো একই কায়দায় কুয়েট, সিলেটের এমসি কলেজ ও তামিরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসাসহ বিভিন্ন জায়গায় হামলা করছে।

আপনারা যদি আবারও এই বাংলাদেশে পেশিশক্তির ব্যবহার করতে চান, তাহলে ছাত্রসমাজ মেনে নেবে না। ছাত্রসমাজ যেভাবে শেখ হাসিনা ও ক্যাম্পাসগুলো থেকে ছাত্রলীগকে বিদায় করেছে, সেভাবেই যারা গঠনমূলক রাজনীতি ভুলে গিয়ে পেশিশক্তির ব্যবহার করে সন্ত্রাসী হয়ে ওঠার চেষ্টা করছে, তাদেরও বিদায় করবে।

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি):- সিলেটে শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদ এবং আওয়ামী দোসরদের বিচার ও কার্যক্রম নিষিদ্ধকরণের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন ইবি শিক্ষার্থীরা।

রাত সোয়া ৯টায় ক্যাম্পাসের জিয়া মোড় থেকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ডাকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করে তারা। পরে মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রশাসন ভবন চত্বরে এসে সমাবেশে মিলিত হয়।
সমাবেশে আন্দোলনকারীরা বলেন, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সভা সেমিনারে আওয়ামী লীগের প্রেতাত্মারা উপস্থিত থেকে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করছে। ফ্যাসিবাদের দোসররা ক্যাম্পাসে এখনো দিব্যি ঘুরে বেড়াচ্ছে।
প্রশাসন এখনো ফ্যাসিবাদের দোসর এসব শিক্ষকদের বিরূদ্ধে কোনো ধরনের পদক্ষেপ নিতে পারেনি। অনতিবিলম্বে প্রশাসনকে আওয়ামী দোসরদের বিচার ও ক্যাম্পাসে তাদের কার্যক্রম নিষিদ্ধ করতে হবে।
তারা বলেন, সিলেটের এমসি কলেজে সাধারণ শিক্ষার্থীর উপর হামলার যে ন্যাক্কারজনক ঘটনা ঘটেছে আমরা এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। সন্ত্রাসীদের কোন দল হয় না, পরিচয় হয় না। একজন সাধারণ শিক্ষার্থীর উপর যে ন্যাক্কারজনক হামলা হয়েছে, অতিদ্রুত সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে তাদের শাস্তির আওতায় আনতে হবে।
এ সময় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন ইবির সমন্বয়ক এস এম সুইট, সহ-সমন্বয়ক সায়েম আহমেদসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা বক্তব্য প্রদান করেন।
নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়:- শিক্ষার্থীর উপর এ ন্যাক্কারজনক হামলা ও ক্যাম্পাসগুলোতে অরাজকতা সৃষ্টির প্রতিবাদে রাতে মশাল মিছিল করেছে নোবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

সমাবেশে বক্তরা শিক্ষার্থীদের ওপর হামলাকারীদের সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে খুঁজে বের করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানান।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!