শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রো‌হিঙ্গা‌দের ২৬ লাখ মার্কিন ডলারের সহায়তা দি‌চ্ছে জাপান শাহজালাল (রহ.)–এর ব্যবহৃত সামগ্রী সংরক্ষনের জন্য জাদুঘর স্থাপনের নির্দেশ সিলেটে অনটেষ্ট সিএনজি, ব্যাটারিচালিত রিকশা ও অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর নির্দেশনা সিলেটে ফাহিম হ ত্যা মামলার পলাতক আসামি ‘কুত্তা রনি’ গ্রে ফ তা র জকিগঞ্জে ইট চুরির অভিযোগে যুব জামায়াতের সেক্রেটারিসহ গ্রেপ্তার ৬ ছাতকে বিভিন্ন মামলার ৩ আসামী গ্রেফতার জকিগঞ্জে রাতের আঁধারে রাস্তার ইট চুরি সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে দুই সাংবাদিক হামলার শিকার ছিনতাইকারীর হাতের কবজি কে টে পুলিশে সোপর্দ বিমানবন্দরে প্রবাসীদের ‘স্যার’ সম্বোধন সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে

সিলেট বিএনপির নেতারা কি আ.লীগের রক্ষাকবচ?

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : শুক্রবার, ৩১ জানুয়ারী, ২০২৫
  • ৩৯২ বার পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিনিধি:- সিলেট সিটি কর্পোরেশনের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর রেজওয়ান আহমদ ও তার ভাই কামরান আহমদ গতকাল বৃহস্পতিবার ৩০ জানুয়ারী সিলেট মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করতে গেলে স্থানীয় জনতার রোষানলে পড়েন।

তাদের বিরুদ্ধে বৈষম্যবিরোদী ছাত্র আন্দোলনে ছাত্র-জনতার উপর হামলা, বিভিন্ন ছাত্রদের গ্রেফতারে সহযোগিতা করা, জামায়াত বিএনপিসহ এলাকাবাসীদের মিথ্যা মামালায় ফাসানোসহ নানা অভিযোগ রয়েছে।

রেজওয়ানের বিরুদ্ধে রয়েছে বেশ কয়েকটি মামলা, এসব মামলায় হত্যা, হামলাসহ বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে। সে ঐসব মামলার পলাতক আসামী।

এরা দীর্ঘদিন ধরে সিলেটের তৃণমূল জাতীয়তাবাদী পরিবারের নেতাকর্মীদের ওপর অত্যাচার চালিয়েছে। সেই সাথে এলাকার বিভিন্ন লোকজনদের মিথ্যা মামলা দিয়েও হয়রানি করেছেন।

অথচ এই রেজওয়ান ও কামরানকে জামিন পাইয়ে দিলেন সিলেট বিএনপির শীর্ষ দুই নেতা এ যেন চোরে চোরে মাসতুতো ভাই।

গোপন সূত্রে জানা যায়, সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির কিছু নেতা মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে আদালত থেকে তাদের জামিনের ব্যবস্থা করে দেন। কড়া পাহারায় থাকে আদালতে আনা হয়। সুত্র বলছে দেড় কোটি টাকার লেনদেনের মাধ্যমে দফারফা করেন ঐ নেতারা।

বিএনপির কয়েকজন নেতা ও আদালতের বিভিন্ন সুত্র থেকে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পর বিএনপিপন্হী আইনজিবীরা গায়েবী মামলা দায়ের করাচ্ছেন আবার সেই মামলায় জামিনও করাচ্ছেন! বিনিময়ে তাদের পকেট ভারী করছেন টাকা দিয়ে।

গতকাল আদালত প্রাঙ্গণে রেজওয়ান ও কামরান আহমদের উপস্থিতি স্থানীয় জনতার মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি করে। বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের ওপর আক্রমণ করে এবং বিএনপির যেসব নেতা এই সমঝোতায় সক্রিয় ছিলেন, তাদের প্রতিও ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া দেখায়। ঐ কয়েকজন বিএনপি নেতাকে দেখা যায় রেজওয়ানের সাথে কোলাকুলি করে তাকে নিয়ে যাচ্ছেন।

এ ঘটনায় বিএনপির সিলেট মহানগর ও জেলার নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সিলেট মহানগর বিএনপিন এক নেতা বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর আমরা জেল জুলুমের স্বীকার হয়েছি।

পরিবার পরিজনকে অনেকে হারিয়েছি, আর হঠাৎ করে দলে পদ পদবী পাওয়া নেতারা আজ আমাদের কথার মুল্যায়ন করছেন না। তিনি বলেন, আমরা ভিডিওর ফুটেজসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দের সাথে দেখা করব।

জেলা বিএনপির একজন ত্যাগী নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, আমরা যখন জেলে ছিলাম তখনও এসব নেতারা আমাদের দিয়ে ব্যবসা করেছে, এখন আওয়ামিলীগে সন্ত্রাসীদের লালন পালন করে তাদের কাছ থেকে হাতিয়ে নিচ্ছেন টাকা।

উপস্হিত স্থানীয় কয়েকন জনতা স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন, তারা আওয়ামী লীগের সহযোগীদের কোনোভাবেই ছাড় দেবে না। এছাড়া, বিএনপির যেসব নেতা আওয়ামী লীগের সহযোগীদের পুনরায় রাজনীতিতে ফিরতে সহায়তা করবেন, তাদেরও ছাড় দেওয়া হবে না।

উল্লেখ্য, সিলেটের রাজনীতিতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি নেতাদের মধ্যে এই ধরনের সমঝোতা স্থানীয় জনতার মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে ক্ষোভের কারণ হয়ে আসছে। বর্তমান বিএনপির জেলা ও মহানগর কমিটি নিয়েও অনেক ক্ষোভ রয়েছে তৃণমূল জাতীয়তাবাদী পরিবারের মধ্যে।

গত সপ্তাহে আইনজীবী ফোরামের নির্বাচনে বিএনপির ভরাডুবি ও আওয়ামীলীগের জয়লাভ নিয়েও জেলা ও মহানগর বিএনপি বিতর্কের মুখে পড়ে। ঐ সময় কেন্দ্র থেকে জবাব চাওয়া হয়। কয়েকদিন যেতে না যেতেই ফের আলোচনায় সিলেট জেলা ও মহানগর বিএনপির নেতৃবৃম্দ।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!