নিজস্ব প্রতিনিধি:- সিলেটের সিলাম রিজেন্ট পার্কের ভেতরে রুম ভাড়া করে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার দায়ে আটক তরুণ-তরুণীর মধ্যে ৩ প্রেমিক যুগলকে বিয়ে দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। রোববার ১৯ জানুয়ারী বিকেলে এই বিবাহ অনুষ্ঠিত হয়।
এলাকার স্হানীয় মরুব্বী, গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকার যুব সমাজ কাজী ঢেকে এনে তাদের বিবাহ দেন। এসময় মোগলাবাজার থানার পুলিশের একটি দল সেখানে উপস্হিত ছিলেন।
বাকিদের তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে। পরবর্তিতে তাদের পরিবার বিয়ের ব্যবস্হা নিবেন বলেও জানা গেছে।
এর আগে রিজেন্ট পার্কের ভিতরের রুম ভাড়া করে অসামাজিক কার্যকলাপে লিপ্ত থাকার দায়ে কয়েকজন তরুণ-তরুণীকে আটক করে এলাকাবাসী। এসময় পার্কের রুম ভাংচুর করে পার্কের ঘর গুলোতে আগুন ধরিয়ে দেয় উত্তেজিত জনতা।
স্হানীয় সুত্রে জানা যায়, এই পার্কের ভিতর দীর্ঘদিন থেকে অসামাজিক কার্যকলাপ চলে আসছিল। এলাকাবাসী কয়েকবার সতর্ক করলেও তা বন্ধ হয়নি। আজ তরুন-তরুনীদের হাতে নাতে আটক করে পার্কের রুম ভেঙ্গে ফেলে পার্ক বন্ধ ঘোষনা করা হয়।
বিভিন্ন সুত্র থেকে জানা যায়, অসামাজিক কার্যকলাপের জন্য রিজেন্ট পার্ক কর্তৃপক্ষ পার্কের ভিতর রুম ভাড়া দিয়ে থাকেন। লোক চক্ষুর আড়ালে দীর্ঘদিন তারা এসব দেহ ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন।
সুত্র থেকে জানা যায়, পার্কের ভিতরের রুমে আমোদ ফুর্তির জন্য আলাদা আলাদা ব্যবস্হা রয়েছে। ৫০০ টাকা প্রতি ঘন্টা হিসেবে এসব রুম ভাড়া দেয়া হয়ে থাকে। এখানে বিভিন্ন স্হান থেকে মেয়েদের সংগ্রহ করে রাখ হয়। সেই সাথে প্রেমিক প্রেমিকাও ফুর্তির জন্য পার্কে যান বেড়ানোর কথা বলে।
সুত্র জানায়, রোববার ১৯ জানুয়ারী এরখম কয়েকজন তরুন-তরুনীকে আটক করে এলাকাবাসী। পরে তাদের সবাইকে এক কক্ষে তালাবদ্ধ করে পুলিশে খবর দেয়া হয়। খবর পেয়ে মোগলাবাজার থানা পুলিশ ঘটনাস্হলে পৌছে।
এর আগে খবর পেয়ে ঘটনাস্হলে আসেন এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও এলাকার যুব সমাজ। পরে সবার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তরুন-তরুনীর মধ্যে ৩ যুগ প্রেমিক যুগলকে তাদের পরিবারের সম্মতিতে বিবাহ দেয়া হয়। বাকিদের তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।
সুত্র জানায়, বিয়ের আগে এলাকাবাসীর উদ্দ্যোগে কাজী আনা হয়। এলাকাবাসীর উপস্হিতিতে বিবাহ সম্পন্ন হয়। বিবাহে প্রত্যেকের দেনমোহর ধরা হয় ১০লক্ষ টাকা করে।
এ ব্যাপারে মোগলাবাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, বিয়ের খবর আমার জানা নেই, তিনি বলেন, এলাকাবসাীর উদ্দ্যোগে আটক তরুন-তরুনীদের তাদের পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে।