সোমবার, ০৮ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৭:৫৬ পূর্বাহ্ন

চাঁদাদাবির ঘটনায় ফুকন ডা কা তে র বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

নিজস্ব প্রতিনিধি
  • প্রকাশের সময় : বৃহস্পতিবার, ১৪ আগস্ট, ২০২৫
  • ২৬৯ বার পড়া হয়েছে

কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা লিখে পোস্টার তৈরী করে মানহানির ভয় দেখিয়ে যুবদল নেতার কাছে ৫০ হাজার টাকা চাঁদাদাবির ঘটনায় ফোকন মিয়া (৫০) উরফে ফোকন ডাকাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী যুবদল নেতা, মিরাপাড়া, নয়াবাড়ীর আব্দুর রহমানের ছেলে জিয়াউর রহমান সুমন। ১৩ আগষ্ট বুধবার সিলেট শাহপরান থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগে বাদী উল্ল্যেখ করেন, মিড়াপাড়া নয়াবাড়ির মৃত ফকির তাহির আলীর ছেলে ফোকন মিয়া (৫০) উরফে ফোকন ডাকাতের সাথে বাদীর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে বিরোধ রয়েছে। সে কারনে ফোকন বাদীর নামে বিভিন্ন ধরনের কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা লিখে পোস্টার তৈরী করে উক্ত পোস্টার অত্র থানাধীন বিভিন্ন স্থানের দেওয়ালসহ অন্যান্য স্থানে লাগিয়ে বাদীর মান সম্মান হেয় প্রতিপন্ন করছে।

গত ৭ আগষ্ট বেলা  ঘটিকার সময় বিবাদী ফোকন অজ্ঞাতনামা ২/৩ জন লোক দিয়ে বাদীর বসতবাড়িতে কুরুচিপূর্ণ কথাবার্তা লেখা পোষ্টার পাঠিয়ে ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করে। টাকা না দিলে বাদীর নামে তৈরী করা কুরুচিপূর্ণ পোস্টার বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে বাদীর মান সম্মান ক্ষুন্ন করবে। এমনকি বাদীকে রাস্তাঘাটে আটকিয়ে হত্যা করে লাশ গুম করবে।

বাদী তার অভিযোগে আরো উল্ল্যেখ করেন, এর আগেও বিবাদী ফোকন ডাকাত তার নামে শাহপরান থানায় একটি  মিথ্যা সাধারণ ডায়েরী দায়ের করে। পরবর্তীতে ফোকন ডাকাত নিজে ভুল হয়েছে বলে জিডি প্রত্যাহার করে নেয়। ফোকন ডাকাতসহ অজ্ঞাতনামা ২/৩ জনের হুমকির কারনে বর্তমানে বাদী এবং তার পরিবারব নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন বলেও উল্ল্যেখ করেন।

সুত্র মতে, ফুকন এর আগেও ডাকাতি ও চুরির মামলায় জেল খেটেছে। সে সিলেট নগরীর টিলাগড়ে আলোচিত সেনাবাহিনীর ওয়্যারলেস ডাকাতি মামলার প্রধান আসামী ছিল। এ ঘটনায় ফুকন দীর্ঘদিন জেল খেটে বের হয়। বর্তমানে তার পেশা বিভিন্ন লোকদের কাছে চাঁদা দাবি করে তা সংগ্রহ করা।

সুত্র জানায়, ফুকন সিলেট মহানগর আওয়ামীলীগের যুগ্ম সাধারন সম্পাদক পলাতক আজাদুর রহমান আজাদের ভাই সোলেমানের আস্থাভাজন। ফুকনের সুখে-দু:খে তিনি সবসময় পাশে থাকতেন! গত ৫ আগষ্টের পর সোলেমান দেশ ছেড়ে কানাডা পালিয়ে যান।

মিড়াপাড়া এলাকার কয়েকজন নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, ফুকন দীর্ঘদিন জেল খেটে বের হয়ে ফের এলাকায় চুরি শুরু করে। এর জন্য তাকে এলাকাবাসী আটক করে থানায় সোপর্দ করেন। এরপর সে দ্বিতীয়বার জেল খেটে বের হয়ে প্রতারনা ব্যবসাসহ চাঁদাবাজি শুরু করে।

তার বিরুদ্ধে রয়েছে বিভিন্ন লোকজনের কাছ থেকে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। শাপলাবাগ, লামাপাড়া, কল্যানপুর, টিলাগড় এলাকার কয়েকজনের কাছ থেকে সে ব্যবসার কথা বলে টাকা নিয়ে তা ফেরত না দিয়ে উল্টো হুমকি দিচ্ছে। এ ব্যাপারে ভুক্তভোগী কয়েকজন চরম নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন।

এ ব্যাপারে শাহপরান থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মনির হোসেন জানান, ভুক্তভোগীর অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!