প্রথম সকাল ডেস্ক:- ইসলামিক আলোচক মিজানুর রহমান আজহারী বলেছেন, যশোরের আলোচনার একটি অংশ নিয়ে আমাদের রাজনৈতিক বন্ধুরা প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছেন।
নিজেদের গায়ে মেখে উনারা ক্ষুব্দ হয়েছেন। আমি বলেছিলাম ‘একদল খেয়ে গিয়েছে আর আরেক দল খাওয়ার জন্য রেডি হয়ে আছে’। এখানে কি আমি কোন দলের নাম বলেছি? দেশে ৪৮টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল।
আমি কোন দলের নাম বলিনি। আমি জেনারেলি বলেছি। যারা যে ম্যাসেজ নেয়ার তারা নিয়ে নেয়। আপনারা যে নিজেদের গায়ে মাখালেন, সেটি ঠিক হয়নি, এটি অনবিপ্রেত হেয়ছি। আমি কোন দলকে টার্গেট করে বলিনি। কথাটা ছিল খুব স্বাভাবিক, এটি নিজেদের গায়ে মাখানোর দরকার নাই।
শনিবার রাতে সিলেট এমসি কলেজ মাঠে আঞ্জুমানে খেদমতে কোরআন, আয়োজিত তিনদিন ব্যাপী তাফসির মাহফিলের শেষ দিনে সমাপনী বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি আরো বলেন, এমনও অনেকে আছেন যারা আমদের পছন্দ করেন না তারাও আমাদের আলোচনা শুনেন। গত সপ্তাহে যশোরের প্রোগ্রামের এক ভিডিওর পিছনে ৬ বছর আগের এক অডিও ব্যাকগ্রাউন্ড জুড়ে দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়াতে বিভ্রান্তি ছড়ানো হয়েছে।
তাদের প্রতিও আমাদের কোনো রাগ ক্ষোভ নেই, কিন্তু তারা হয়তো বুঝতে পারে নাই সাম্প্রতিক আলোচনার পিছনে ৬ বছরের আলোচনা জুড়িয়ে দেয়া একটি প্রতারণা। এমন কর্মকাণ্ড প্রতারণা ও দোকাবাজি। কিন্তু আল্লাহর নবী বলছেন- ‘যে আমাদেরকে ধোকা দেয়, সে আমাদের অনভুক্ত নয়’। যারা এসব কাজ করে তাদের জন্য আমরা হেদায়াতের দোয়া করি।
এদিকে, ড. মিজানুর রহমান আজহারী বক্তব্য শুরু করার পর পরই মাঠের বিভিন্ন অংশে বিশৃঙ্খলা দেখা দেয়। তিনি বার বার বলেও বিশৃঙ্খলা থামাতে পারেন নি। এমন কি বক্তব্য চলাকালে কিছুক্ষণ পর পর মাঠের শৃংঙ্খলা ফেরানোর জন্য তিনি বার বার মাইকে অনুরোধ করতে থাকেন। এক পর্যায়ে শৃঙ্খলা না ফেরায় তিনি বক্তব্য অসম্পূর্ণ রেখেই মোনাজাত শুরু করেন।
এসময় মাহফিলের শৃঙ্খলা ফেরাতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের মৃদু লাটিচার্জ করতেও দেখা যায়।