বৃহস্পতিবার, ১৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৩:৩৫ পূর্বাহ্ন

আত্মগোপন থেকে পাসপোর্টের আবেদন

সংবাদ দাতার নাম
  • প্রকাশের সময় : মঙ্গলবার, ৫ নভেম্বর, ২০২৪
  • ১৫৬ বার পড়া হয়েছে

প্রথম সকাল ডেস্ক:- গত ৫ আগস্ট গণ-অভ্যুত্থানে সরকার পতনের পর থেকেই আত্মগোপনে আছেন আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ও জাতীয় সংসদের পদত্যাগী স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরী। আর সরকার পতনের পর গঠিত অন্তর্বর্তী সরকার অন্যান্য এমপি-মন্ত্রীদের সঙ্গে তার লাল পাসপোর্টও বাতিল করে।

পরে তিনি গত ৩ অক্টোবর সাধারণ পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেন। আর ১০ অক্টোবর পাসপোর্টের জন্য তিনি আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের ছবি দেন। আর তা দিয়েছেন নিজের ঘরে বসেই। তিনি একাই নন, তার স্বামী সৈয়দ ইশতিয়াক হোসাইনও পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন।

জানা যায়, গত ৩ অক্টোবর স্বামী সৈয়দ ইশতিয়াক হোসাইনসহ ঢাকার আগারগাঁওয়ে পাসপোর্ট অফিসে সাধারণ ই-পাসপোর্ট পেতে আবেদন করেন শিরীন শারমিন। গত ১০ অক্টোবর তাদের আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশের ছবি দেওয়ার তারিখ ছিল, যা তারা ঘরে বসেই দিয়েছেন।

এদিকে, ই-পাসপোর্ট আবেদনের নিয়মাবলিতে বলা আছে, সবকিছু ঘরে বসে করতে পারলেও নির্ধারিত তারিখে আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দিতে আবেদনকারীকে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট পাসপোর্ট অফিসে যেতে হবে।

শুধু অসুস্থ ও শারীরিকভাবে অক্ষম ব্যক্তিরা পাসপোর্ট অফিসের বিশেষ সেবা মোবাইল টিমের মাধ্যমে ঘরে বসে বা হাসপাতালে থেকে এ সুবিধা নিতে পারবেন। যদিও আবেদন করার পর আঙুলের ছাপ ও চোখের আইরিশ দেওয়ার প্রক্রিয়া শেষ হলেও, গতকাল সোমবার (৪ নভেম্বর) পর্যন্ত শিরীন দম্পতির পাসপোর্ট প্রস্তুত হয়নি বলে জানা গেছে।

অন্যদিকে, ছাত্র-জনতার আন্দোলনের সময় রংপুরে গুলিবিদ্ধ হয়ে স্বর্ণশ্রমিক মুসলিম উদ্দিন (৩৮) নিহতের ঘটনায় করা হত্যা মামলার আসামি সাবেক স্পিকার শিরীন শারমিন। গ্রেপ্তার এড়াতে আত্মগোপনে আছেন তিনি। এরই মধ্যে তিনি পাসপোর্টের জন্য আবেদন করেছেন। অথচ পুলিশ তাকে খুঁজে পাচ্ছে না।

পাসপোর্ট অধিদপ্তরের একাধিক সূত্রের বরাতে দৈনিক দেশ রূপান্তরের এক প্রতিবেদনে বলা হয়, সাবেক এ স্পিকার ও তার স্বামী অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতনদের বাগে নিয়ে অনৈতিকভাবে ভিআইপি সুবিধা নিচ্ছেন।

এজন্য খরচ করেছেন মোটা অঙ্কের টাকা। তা না হলে, হত্যা মামলায় আত্মগোপনে থাকা এ আসামি কীভাবে ঘরে বসে পাসপোর্ট করতে পারেন, সে বিষয় নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে?

শিরীন শারমিন চৌধুরীর পাসপোর্টের আবেদন করার বিষয়টি সংবাদমাধ্যমটিকে নিশ্চিত করেছেন ঢাকা বিভাগীয় পাসপোর্ট ও ভিসা অফিসের উপপরিচালক মো. ইসমাইল হোসেন। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশের প্রত্যেক নাগরিক পাসপোর্ট পাওয়ার অধিকার রাখেন। বাংলাদেশ পাসপোর্ট অর্ডার, ১৯৭৩-এ এই অধিকার দেওয়া আছে। এ ক্ষেত্রে আমাদের আসলে কিছু করার নেই।

এ বিভাগের আরো সংবাদ
©2020-2025 All rights reserved
Design by: POPULAR HOST BD
themesba-lates1749691102
error: Content is protected !!